ডেস্ক রিপোর্ট: নিজস্ব ভিটেবাড়ি না থাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ আটকে যাওয়া মিশন আচার্য অবশেষে নিয়োগপত্র পেতে যাচ্ছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় তার নিয়োগের ব্যবস্থা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
২ অক্টোবর শুক্রবার রাতে রাশেদ খাঁন জানান, মিশন আচার্যকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদটি তাঁর ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে। এরপর তিনি শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। মিশন আচার্য তাঁর নিজ এলাকার বাসিন্দা বলেও জানান রাশেদ খাঁন।
তিনি বলেন, চাকরিপ্রার্থীদের স্থায়ী ঠিকানা যাচাইয়ের সময় মিশন আচার্যের ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিয়েছিল। ইতোমধ্যে তাঁর সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁকে ঢাকায় আসতে বলা হয়েছে এবং রোববার মন্ত্রণালয়ে নিয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে।
মিশন আচার্য ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগান এলাকায় ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকেন। তাঁর মা ময়না আচার্য গৃহপরিচারিকার কাজ করে তাঁকে পড়াশোনা করিয়েছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিয়োগের জন্য সুপারিশও পেয়েছিলেন।
তবে স্থায়ী ঠিকানা নিয়ে জটিলতার কারণে তাঁর নিয়োগপত্র আটকে যায়। তাঁর সঙ্গে সুপারিশ পাওয়া ১৮২ জনের মধ্যে ১৮০ জন ইতোমধ্যে নিয়োগপত্র পেয়েছেন এবং কাজে যোগ দিয়েছেন। ফলে নিয়োগপত্র না পাওয়ায় মিশন আচার্য যোগ দিতে পারেননি।
মিশন আচার্য বলেন, রাশেদ খাঁন তার সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ঢাকায় যেতে বলেছেন। চাকরি পাওয়ার আশ্বাস পেয়ে তিনি আনন্দিত। এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় গণমাধ্যমের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
মিশনের ভাষ্য, তার মা দীর্ঘদিন গৃহপরিচারিকার কাজ করে দুই ছেলের পড়াশোনার খরচ চালিয়েছেন। নিজেদের কোনো ভিটেবাড়ি না থাকায় স্থায়ী ঠিকানা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল।
সূত্র: প্রথম আলো
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available