আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরাকে ‘ইরান-সমর্থিত’ সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিভিন্ন অবস্থানে যৌথ বিমান হামলা চালানোর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব। ২৯ জুলাই বুধবার সকালে পরিচালিত এ অভিযানে পূর্ব ইরাকের একাধিক স্থানে অস্ত্রাগার ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
সেন্টকমের দাবি, সম্প্রতি ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) নির্দেশনায় পরিচালিত একাধিক ড্রোন হামলায় সৌদির জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর জবাব হিসেবেই যৌথ এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, গত ৭২ ঘণ্টায় সৌদির জ্বালানি স্থাপনায় অন্তত ৩০টি ড্রোন হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এ অভিযান চালানো হয়েছে। হামলায় ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামো’ ও অস্ত্র মজুদের স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
মার্কিন বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ইরান-সমর্থিত ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদির নাগরিক, সামরিক ঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর ৬০০টির বেশি হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে বলেছে, এসব গোষ্ঠী হামলা অব্যাহত রাখলে আরও সামরিক জবাব দেওয়া হবে।
সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও যৌথ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মার্কিন সেন্টকমের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত এ হামলায় সৌদির পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় হামলার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ থাকা ইরাকি মিলিশিয়াদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
এর আগে সোমবার ও মঙ্গলবার সৌদির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ এবং রাজধানী রিয়াদ অঞ্চলের পেট্রোলিয়াম অবকাঠামো লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে।
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি বলেছেন, সৌদি আরব আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়াতে চায় না। তবে দেশের নিরাপত্তা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা অব্যাহত থাকলে প্রয়োজনীয় জবাব দেওয়া হবে।
সূত্র: আলজাজিরা
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available