আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এতে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন।
ভূমিকম্পটি ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার টারনাটে শহরের উপকূলে উত্তর মলুকা সাগরে উৎপত্তি হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (ইউএসজিএস) জানিয়েছে। প্রাথমিকভাবে কম্পনের মাত্রা ৭.৮ ধরা হলেও পরে তা সংশোধন করে ৭.৪ নির্ধারণ করা হয়।


ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে এবং টারনাটে শহর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে, উত্তর মালুকা প্রদেশের উপকূলীয় এলাকায়।

টারনাটে ও টিডোরের মতো কিছু শহরের স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংবাদ চ্যানেল মেট্রো টিভি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ছবি সম্প্রচার করেছে।
উত্তর সুলাওয়েসি প্রদেশের মানাদো শহরে একটি ভবন ধসে একজন নিহত এবং আরেকজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার কর্মকর্তা জর্জ লিও মার্সি রান্দাং জানান, নিহত ব্যক্তি ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের নিচে চাপা পড়েছিলেন।
হাওয়াই-ভিত্তিক প্যাসিফিক সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র (পিটিডব্লিউসি) প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিল, ভূমিকম্পের কেন্দ্র থেকে ৬২১ মাইলের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও মালয়েশিয়ার উপকূল বরাবর বিপজ্জনক সুনামি ঢেউ আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার ভূতাত্ত্বিক সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের আধা ঘণ্টার মধ্যে সুলাওয়েসি দ্বীপের উত্তরে উত্তর মিনাহাসা শহরে ৭৫ সেন্টিমিটার এবং বিটুং শহরে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ঢেউ রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তর মলুকা প্রদেশেও ৩০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত ঢেউ দেখা যায়। ভূমিকম্পের দুই ঘণ্টার কিছু বেশি সময় পর সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়া প্যাসিফিক রিং অফ ফায়ার-এর দুই প্রান্তে অবস্থিত; এটি উচ্চ ভূকম্পন প্রবণ এলাকা, যেখানে টেকটোনিক প্লেটগুলো মিলিত হওয়ায় ঘনঘন ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available