আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সিরিয়ার ইদলিবের আবু-জুহুর বিমানঘাঁটিতে ইসরায়েলের হামলাকে কেন্দ্র করে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। ওই ঘাঁটিতে তুরস্ক তাদের সেনা মোতায়েনের চেষ্টা করছে বলে ইসরায়েল দাবি করলেও তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েই তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
তুরস্কের অভিযোগ, হামলার মাধ্যমে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু মধ্যপ্রাচ্যে আরও অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছেন। তবে এই পরিস্থিতিতে তুরস্ক কোনো ধরনের ‘ফাঁদে’ পা দেবে না বলে জানিয়েছে দেশটি।
২০ আগস্ট বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তুরস্কের প্রেসিডেন্টের দপ্তর বলেছে, নেতানিয়াহুর মতো ব্যক্তিদের ফাঁদে পা না দেওয়ার মতো যথেষ্ট অভিজ্ঞতা তুরস্কের রয়েছে। নেতানিয়াহুর লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করা।
ইসরায়েলি হামলায় বিমানঘাঁটির রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে ওই ঘাঁটিতে তুরস্কের একটি সামরিক প্রতিনিধিদল গিয়েছিল বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। তবে আঙ্কারা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।
সিরিয়ার একটি পর্যবেক্ষণ সংস্থার বরাত দিয়ে দ্য নিউ আরব জানিয়েছে, তুরস্কের প্রতিনিধিদলটি বিমানঘাঁটির পুনর্গঠনের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করতে সেখানে গিয়েছিল।
তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, তুরস্কের সেনারা ওই ঘাঁটিতে অবস্থান নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এটিকে ইসরায়েলের জন্য হুমকি হিসেবেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
ইসরায়েলি আর্মি রেডিওকে নেতানিয়াহু বলেন, উত্তর সিরিয়ার দিকে তুরস্কের সামরিক বাহিনী অগ্রসর হলে ইসরায়েল তা মেনে নেবে না, কারণ এটি তাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।
ঘটনাটি নিয়ে তুরস্ক ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লেও আঙ্কারা সরাসরি সংঘাতে জড়ানোর পরিবর্তে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার বার্তা দিয়েছে।
সূত্র: দ্য নিউ আরব
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available