অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে ইরানে হামলার পর বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে আবারও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বিনিয়োগের প্রবণতা বাড়ায় সপ্তাহের সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে মার্কিন ডলার। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম। ফলে এশিয়ার লেনদেন শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই মুদ্রাবাজারে ডলারের শক্তিশালী অবস্থান স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছয়টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে মার্কিন ডলারের অবস্থান ডলার সূচকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০১ দশমিক ১৮ পয়েন্টে। এটি ২ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ অবস্থান।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ার আশঙ্কা বিশ্ববাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা তুলনামূলক নিরাপদ সম্পদ হিসেবে মার্কিন ডলারের দিকে ঝুঁকছেন। একই কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
জাপানি ইয়েনের বিপরীতে মার্কিন ডলারের দর দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১৬২ দশমিক ২৮ ইয়েনে পৌঁছেছে।
একই সময়ে ইউরোর দাম দশমিক ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ১৪০৫ মার্কিন ডলারে। ব্রিটিশ পাউন্ডও একই হারে কমে লেনদেন হচ্ছে ১ দশমিক ৩৩৫৩ মার্কিন ডলারে।
অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার মুদ্রা অস্ট্রেলিয়ান ডলার অবশ্য স্থিতিশীল রয়েছে। এ সময় এক অস্ট্রেলিয়ান ডলারের মূল্য ছিল ০.৬৯২৬ মার্কিন ডলার।
ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারেও কিছুটা চাপ লক্ষ্য করা গেছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল মুদ্রা বিটকয়েন দশমিক ২ শতাংশ কমে ৬৩ হাজার ৫১৮ দশমিক ৩৫ ডলারে নেমে এসেছে। আর দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি ইথার দশমিক ৫ শতাংশ কমে লেনদেন হচ্ছে ১ হাজার ৭৭৪ দশমিক ৪৫ ডলারে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যদি আরও অস্থিতিশীল হয়, তাহলে আগামী কয়েক দিনে বৈশ্বিক মুদ্রাবাজার, জ্বালানি বাজার এবং ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে আরও বড় ধরনের ওঠানামা দেখা যেতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available