• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ৬ই মাঘ ১৪৩২ সকাল ১১:২৯:৩২ (19-Jan-2026)
  • - ৩৩° সে:
সংবাদ ছবি

শেখ হাসিনা ও ১২ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক: জেআইসি সেলে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক ও বর্তমান ১২ জন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আজ সূচনা বক্তব্যসহ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে।১৯ জানুয়ারি সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই কার্যক্রম শুরু হবে।ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, আজ প্রথমে ওপেনিং স্টেটমেন্ট বা সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হবে। এরপর এক নম্বর সাক্ষীর জবানবন্দির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হবে। গত ১৮ ডিসেম্বর ১৩ জনের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশের পাশাপাশি আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল-১।এ মামলায় ১৩ আসামির মধ্যে বর্তমানে গ্রেফতার রয়েছেন তিনজন। তারা হলেন ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকী।পলাতক ১০ আসামির মধ্যে পাঁচজন বিভিন্ন সময়ে ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তারা হলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আহমেদ তাবরেজ শামস চৌধুরী এবং মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক।অন্য পলাতক আসামিরা হলেন শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ তৌহিদুল উল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মদ এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মখছুরুল হক।প্রসিকিউশনের আনা পাঁচটি অভিযোগের সময়কাল ধরা হয়েছে ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত। এই সময়ে অন্তত ২৬ জনকে গুম করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। জেআইসি সেলে গুমের পর আটকে রেখে চালানো নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। গত ৭ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানিতে তিনি এসব বর্ণনা দেন।এর আগে, গত ৯ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার তিন আসামির পক্ষে আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু চারটি কারণ দেখিয়ে তাদের অব্যাহতির আবেদন করেন। দুলুর শুনানি শেষে পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্সের আইনজীবী হাসান ইমাম, আমির হোসেনসহ অন্যান্যরা শুনানি করেন।উল্লেখ্য, গুমের মামলায় সর্বপ্রথম গত বছরের ২২ অক্টোবর সেনা হেফাজতে থাকা তিন সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এরপর ৮ অক্টোবর ১৩ জনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দাখিল করা ফরমাল চার্জ আদালত আমলে নেন।