• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ১৬ই বৈশাখ ১৪৩৩ সকাল ১০:৩০:৪৬ (29-Apr-2026)
  • - ৩৩° সে:
ইরানের ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা

ইরানের ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের তথাকথিত ‘ছায়া ব্যাংকিং’ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগে ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ।যুদ্ধ বন্ধে চলমান শান্তি আলোচনা যখন অচলাবস্থায় রয়েছে, ঠিক সেই সময় ওয়াশিংটনের এ পদক্ষেপ নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে।মার্কিন প্রশাসনের দাবি, নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা নেটওয়ার্কটি কয়েক হাজার কোটি ডলারের অবৈধ তহবিল স্থানান্তরের সঙ্গে জড়িত ছিল। এই অর্থ ইরানের সামরিক কার্যক্রম ও যুক্তরাষ্ট্রের ভাষ্য অনুযায়ী ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ ব্যবহার হয়েছে।মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ এড়িয়ে গোপনে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেন করে আসছিল। তার দাবি, এই ছায়া ব্যাংকিং ব্যবস্থা তেহরানের আঞ্চলিক তৎপরতায় অর্থ জুগিয়েছে।ওয়াশিংটন মনে করছে, এই অর্থপ্রবাহে বাধা দিলে ইরানের সামরিক সক্ষমতা এবং তাদের সমর্থিত প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম দুর্বল করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে এটিকে কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে ট্রাম্প প্রশাসন।নতুন নিষেধাজ্ঞা এমন সময়ে এলো, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। একদিকে তেহরান যুদ্ধের অবসানে বিভিন্ন প্রস্তাব দিচ্ছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতি বহাল রেখেছে।বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার টেবিলে ইরানকে চাপের মুখে ফেলতেই এই অর্থনৈতিক অবরোধ জোরদার করা হয়েছে।তবে ইরান তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছে, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা নতুন কিছু নয় এবং এতে তাদের নীতিতে পরিবর্তন আসবে না।বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এই পদক্ষেপ ইরানের তেল রপ্তানি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিও আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তেহরান তাদের কর্মকাণ্ডে মৌলিক পরিবর্তন না আনলে অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত থাকবে। এখন নজর ১ মে’র সময়সীমার আগে এই নিষেধাজ্ঞা সম্ভাব্য সমঝোতার পথে নতুন বাধা তৈরি করে কি না।সূত্র: আল জাজিরা