• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ১৭ই মাঘ ১৪৩২ সকাল ০৭:৫৯:১৪ (30-Jan-2026)
  • - ৩৩° সে:
কুবিতে ভর্তি পরীক্ষার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, ভোগান্তির আশঙ্কা

কুবিতে ভর্তি পরীক্ষার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ, ভোগান্তির আশঙ্কা

কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আগামী ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে এ দুই দিনে কুমিল্লা শহর ও আশপাশের এলাকায় শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ প্রায় দেড় লাখ মানুষের সমাগম ঘটতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কুমিল্লা শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধের নোটিশ দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুবি শিক্ষার্থীরা। এতে ব্যাপক ভোগান্তির আশঙ্কা করা হচ্ছে।বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ৩০ জানুয়ারি শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে ৩১ জানুয়ারি শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা নন্দনপুর ডিআরএস-এর এইচপি ডিআরএস ও আইপিডিআরএস অংশ বন্ধ রাখা হবে। এর ফলে ওই সময় কুমিল্লা শহর ও আশপাশের এলাকায় গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।এ বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলেন, “ভর্তি পরীক্ষার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকলে খাবারসংক্রান্ত বড় সমস্যার সৃষ্টি হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক আসবেন। তারা এখানে এসে খাবার সংকটে পড়লে তা আমাদের জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর ও লজ্জাজনক পরিস্থিতি তৈরি করবে।”ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈম ভূঁইয়া বলেন, “ওই দুই দিনে কুমিল্লায় প্রায় ৭০ হাজার ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী আসবে, সঙ্গে তাদের অভিভাবকরাও থাকবেন। এমন সময়ে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকলে তা শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তির কারণ হবে এবং কুমিল্লা সম্পর্কে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। এই সিদ্ধান্ত দ্রুত পরিবর্তন করা উচিত।”কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, “দেশের বিভিন্ন দূর-দূরান্ত থেকে হাজারো পরীক্ষার্থী ও অভিভাবক আসবেন। ভর্তি পরীক্ষার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকলে সবাইকে খাবার নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হবে। এ বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি।”এ বিষয়ে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ফজলে আলম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আমাকে চিঠি দিয়েছে। তবে বিষয়টি এভাবে বললেই সরবরাহ চালু রাখা সম্ভব নয়। ইতোমধ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে, মাইকিং করা হয়েছে এবং সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন কাজ বন্ধ করলে সরকারের বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হবে। তারপরও আমি নির্দেশ দিয়েছি, যেন যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করা যায়। আশা করছি, গ্যাস সরবরাহ বেশি সময় বন্ধ থাকবে না।”