• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ১৭ই আশ্বিন ১৪৩৩ সকাল ১০:৪৪:০১ (02-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:
মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী বহর পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী বহর পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরুর আশঙ্কার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী বহর পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে ফের হামলার কথা বলার পরই এ সামরিক মোতায়েনের খবর সামনে এলো।মার্কিন সামরিক বাহিনীর নতুন মোতায়েনের অংশ হিসেবে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরী বহর এবং ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডিনেস গ্রুপ মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে যাত্রা করেছে। দুটি বহরে ৭ হাজারের বেশি নাবিক ও ২ হাজারের বেশি মেরিন সদস্য রয়েছেন।এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে বলা হয়েছে, অক্টোবরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্যে একই সময়ে তিনটি বিমানবাহী রণতরী বহর থাকতে পারে। তখন অঞ্চলটিতে মার্কিন নৌ ও মেরিন সদস্যের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়াতে পারে এবং কয়েক শ সামরিক বিমানও মোতায়েন থাকতে পারে।বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে রয়েছে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ ও ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন বিমানবাহী রণতরী বহর এবং ইউএসএস বক্সার অ্যাম্ফিবিয়াস রেডিনেস গ্রুপ। থিওডোর রুজভেল্ট বহর পৌঁছালে এ অঞ্চলে আবারও তিনটি বিমানবাহী রণতরী বহর একসঙ্গে থাকবে।মার্কিন নৌবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, থিওডোর রুজভেল্ট ২৭ সেপ্টেম্বর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো থেকে যাত্রা শুরু করে। এটি মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের পাশাপাশি জাপানভিত্তিক ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটনের স্থলাভিষিক্ত করার পরিকল্পনার অংশ বলেও জানানো হয়েছে।এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে ২০০৩ সালের পর প্রথমবারের মতো মধ্যপ্রাচ্যে একই সময়ে তিনটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী বহর মোতায়েন হয়েছিল। নতুন মোতায়েনের ফলে অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়তে যাচ্ছে।এদিকে বৃহস্পতিবার প্রকাশিত টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছেন, আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা আরও বাড়তে পারে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত সামরিক কৌশল প্রকাশ করেননি তিনি। একই সাক্ষাৎকারে ইরানের সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের কথাও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক মোতায়েন এমন সময়ে হচ্ছে, যখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টা অচলাবস্থায় রয়েছে এবং ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্যে উত্তেজনা বাড়ছে।সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান