• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ৬ই চৈত্র ১৪৩২ রাত ০৮:৫২:০৬ (20-Mar-2026)
  • - ৩৩° সে:
বাগেরহাটে চাকরি মেলায় কর্মসংস্থান পেলেন ৬১ নারী

বাগেরহাটে চাকরি মেলায় কর্মসংস্থান পেলেন ৬১ নারী

বাগেরহাট প্রতিনিধি: নারীর ক্ষমতায়ন ও আত্মনির্ভরশীলতা নিশ্চিত করতে বাগেরহাট স্বাধীনতা উদ্যানে ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও) পরিচালিত এএলপি প্রকল্পের উদ্যোগে দিনব্যাপী চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত আয়োজিত এ মেলায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৬১ জন কিশোরীর হাতে তাৎক্ষণিকভাবে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জয়দেব চক্রবর্তী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) অনুপ দাশ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আব্দুল কাদের, উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালক শুভেন্দু ঘোষ, বাগেরহাট টেলিভিশন জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশন এর সভাপতি মো. কামরুজ্জামান এবং এএলপি-ইউনিসেফ প্রকল্পের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রাম ম্যানেজার নির্মল কুমার সিংহ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, নারীর দক্ষতা উন্নয়ন কেবল অর্থনৈতিক অগ্রগতি নয়, সামাজিক পরিবর্তনেরও বড় হাতিয়ার। এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জয়দেব চক্রবর্তী বলেন, শিক্ষা ও দক্ষতা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মেয়েরা সমাজে আরও এগিয়ে যেতে পারবে। আজকের এই নিয়োগপত্র তাদের আত্মনির্ভরশীলতার পথে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল।উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালক শুভেন্দু ঘোষ বলেন, নারীদের কর্মসংস্থান শুধু অর্থনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি করে না, এটি সামগ্রিক সামাজিক উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ উদ্যোগ সমাজে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।চাকরি পাওয়া প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে মোংলা ইপিজেডে কর্মসংস্থান পাওয়া সুমাইয়া আক্তার বলেন, নিজের জেলায় প্রশিক্ষণ নিয়ে ইপিজেডে চাকরি পাবো, এটা কখনো ভাবিনি। এখন পরিবারকে সহযোগিতা করতে পারবো-এটাই সবচেয়ে বড় অর্জন।নাইমা আক্তার বলেন, এই চাকরি আমার আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো করার স্বপ্ন দেখছি।আয়োজকরা জানান, নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিতের মাধ্যমে তাদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।