• ঢাকা
  • |
  • বৃহঃস্পতিবার ৯ই আশ্বিন ১৪৩৩ দুপুর ০২:৪০:৫৫ (24-Sep-2026)
  • - ৩৩° সে:
দুবাইয়ের শাসকের ভাই শেখ আহমদের ইন্তেকাল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোক

দুবাইয়ের শাসকের ভাই শেখ আহমদের ইন্তেকাল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোক

ডেস্ক রিপোর্ট: সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের ছোট ভাই শেখ আহমদ বিন রশিদ আল মাকতুম ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।২১ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে তাঁর মৃত্যুর পর দুবাইয়ে ১০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। এ সময় আমিরাতের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১টায় দুবাইয়ের জাবিল গ্র্যান্ড মসজিদে শেখ আহমদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমসহ রাজপরিবারের সদস্য এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা অংশ নেন। জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হয়।শেখ আহমদ বিন রশিদ আল মাকতুমের ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় প্রকাশিত শোকবার্তায় তিনি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম, তাঁর পরিবার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তার বিষয়টি বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই শোক কাটিয়ে ওঠার শক্তি ও ধৈর্য দেওয়ার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।ভাই শেখ আহমদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় তিনি তাঁর ভাইকে স্মরণ করে বলেন, তিনি চোখের আড়ালে চলে গেলেও দোয়া ও হৃদয় থেকে কখনো হারিয়ে যাবেন না।দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ হামদান বিন মোহাম্মদও তাঁর চাচার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানও শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদকে সমবেদনা জানিয়েছেন।শেখ আহমদ ছিলেন দুবাইয়ের সাবেক শাসক শেখ রশিদ বিন সাঈদ আল মাকতুমের সন্তান। তিনি দীর্ঘদিন দুবাই পুলিশ ও জননিরাপত্তা বিভাগের উপপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি ব্যবসা, ক্রীড়া ও ঘোড়দৌড়ের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তিনি আল ওয়াসল ক্রীড়া ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও দীর্ঘদিনের সভাপতি ছিলেন এবং জেবেল আলি রেসকোর্স প্রতিষ্ঠার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।সূত্র: বাসস