• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ৯ই ভাদ্র ১৪৩৩ সন্ধ্যা ০৬:১৯:২১ (24-Aug-2026)
  • - ৩৩° সে:
আসামির মৃত্যুর গুজবে থানায় হামলা, গ্রেফতার ১৮

আসামির মৃত্যুর গুজবে থানায় হামলা, গ্রেফতার ১৮

অনলাইন ডেস্ক: বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় এক আসামির মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।১০ জুলাই শুক্রবার সকালে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।তিনি জানান, হামলার পর থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও আটকের চেষ্টা চলছে। সবার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানে একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, থানার হাজতে থাকা অবস্থায় তিনি নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক সাকিবুল হাসান জানান, রিয়াজ ফকির মেডিসিন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার মাথায় আঘাত থাকলেও তা গুরুতর নয়।এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিকেলে কয়েক শ নারী-পুরুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালান। এ সময় দায়িত্বরত এএসআই আবদুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।সংঘর্ষে পুলিশের ছয় সদস্যসহ অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত এএসআই আবদুল হালিমকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত অন্য পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান।অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম, বোন শারমিন আক্তার, মমতাজ বেগমসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। তাদের কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।রিয়াজ ফকিরের পরিবারের অভিযোগ, তাকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ নির্যাতন করেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, হাজতে থাকা অবস্থায় রিয়াজ নিজেই নিজের মাথায় আঘাত করেন।