আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি প্রতি কেন্দ্রে সাংবাদিক রাখতে হবে: আখতার
রংপুর প্রতিনিধি: রংপুর-৪ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুরে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার সারাই ইউনিয়নে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় ও নির্বাচনি প্রচারণা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।আখতার হোসেন বলেন, ভোটকেন্দ্রের চারশো গজের ভেতরে বিভিন্ন অনিয়ম ও ভোট জালিয়াতির ঘটনা ঘটে। এ ধরনের অনিয়ম রোধে প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা জরুরি।ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিনি বলেন, চারশো গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধ সংক্রান্ত যে প্রজ্ঞাপন জারি রয়েছে, তা বাতিল করতে হবে। গণমাধ্যমকর্মীদের অবাধ কাজ করার সুযোগ না থাকলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার শেষ মুহূর্তে কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন আখতার হোসেন। ভোটারদের কাছে নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে তিনি শাপলা কলি প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন। এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে শাপলা কলি প্রতীকে নির্বাচন করছেন আখতার হোসেন। এ আসনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা (ধানের শীষ), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর প্রগতি বর্মণ তমা (কাঁচি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আবু সাহমা (রিকশা), বাংলাদেশ কংগ্রেসের উজ্জল চন্দ্র রায় (ডাব), জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান (লাঙ্গল) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জাহিদ হোসেন (হাতপাখা)।রংপুর-৪ আসনটি পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলা এবং হারাগাছ পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪ হাজার ৭৫৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৫৪ জন, নারী ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৯৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন। মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৬৩টি।তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হয়েছে ২২ জানুয়ারি এবং আগামীকাল ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচারণা চালানো যাবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।