স্পোর্টস ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ শেষের পথে। আজ শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়া এই ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়েই নির্ধারিত হবে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।
ফাইনাল ম্যাচটি শুধু ট্রফি জয়ের লড়াই নয়, বড় অঙ্কের পুরস্কারের জন্যও প্রতিদ্বন্দ্বিতা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এবারের আসরের জন্য প্রায় ১৩.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পুরস্কার তহবিল ঘোষণা করেছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬৪ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের তুলনায় এটি প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।


আইসিসি জানিয়েছে, বিশ্বকাপ আয়োজন, শক্তিশালী সম্প্রচার চুক্তি এবং বড় স্পন্সরশিপের কারণে এবারের আসরে পুরস্কারের অঙ্ক উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে প্রায় ৩ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা)। অন্যদিকে রানার্সআপ দল পাবে প্রায় ১.৬ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা)। অর্থাৎ, ফাইনালে জয়-পরাজয় যাই হোক না কেন ভারত বা নিউজিল্যান্ড দুই দলই বড় অঙ্কের অর্থ পুরস্কার পাবে।
এ ছাড়া সেমিফাইনালে হেরে যাওয়া দুই দল প্রত্যেকে পাবে প্রায় ৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা)। সুপার এইট পর্বে ওঠা প্রতিটি দল পাবে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার ডলার (প্রায় ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা)।
এবারের বিশ্বকাপে মোট ২০টি দল অংশ নেয়। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া প্রতিটি দলও পাবে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ কোটি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা) করে।
আইসিসির এই পুরস্কার কাঠামো টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে স্পষ্ট হচ্ছে যে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের বাণিজ্যিক শক্তি ও জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।
এদিকে ক্রিকেটপ্রেমীদের চোখ এখন আহমেদাবাদের সেই ফাইনালের দিকে, যেখানে ভারত ও নিউজিল্যান্ড শুধু বিশ্বকাপ ট্রফির জন্যই নয়, বিশাল এই পুরস্কার তহবিলের বড় অংশ জয়ের লক্ষ্যেও মাঠে নামবে।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available