অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মোংলা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ ও শিল্পাঞ্চল রুট হবে। মোংলায় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য দ্রুত গ্যাস সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও লজিস্টিকস কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ। এটি এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক গতিশীলতা সৃষ্টি করবে।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও লজিস্টিকস কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ‘মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন’ বিষয়ক প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
৫ নভেম্বর বৃহস্পতিবার মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ৯নং জেটিতে প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা। স্বাগত বক্তব্যের পর প্রকল্পের বিষয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট ডকুমেন্টরি প্রদর্শন করা হয়।
চায়নার প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বক্তব্য দেন চীনের বাংলাদেশ এম্বাসির অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিষয়ক কাউন্সেলর এবং চীনের রেলওয়ে কনস্ট্রাকশনের (সিআরসিসি) চেয়ারম্যান ডেই হেগেন।
সেখানে বক্তব্য দেন- নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয় মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
এরপর প্রধানমন্ত্রী ‘মোংলা বন্দরের সুবিধাদির সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন’ বিষয়ক প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন। সমাপনি বক্তব্য দেন নৌপরিবহন সচিব আতাউর রহমান খান।
ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিন ফারুক ও সদস্যরা, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন প্রমুখ।
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেন, ‘প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ১০ ও ১১নং জেটি নির্মাণ কার্যক্রম সমাপ্ত হবে।
প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩৫.৭৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং নির্মাণকাল চার বছর। প্রকল্পের আওতায় রয়েছে দুটি আধুনিক জেটি নির্মাণ, কন্টেইনার লোডিং-আনলোডিং ইয়ার্ড, বিপজ্জনক কার্গো হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড, ৪৯টি প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিসহ অন্যান্য কার্যক্রম। উক্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কন্টেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, পাশাপাশি নিরাপদে কন্টেইনার সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত স্থান সংকুলান হবে।’ বাসস
এটিভি/এসটিও
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available