• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ১৪ই আশ্বিন ১৪৩৩ রাত ০৮:৫১:৫৭ (29-Sep-2026)
  • - ৩৩° সে:

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ০৮:১০:০৪

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত
ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান এবং গাজীপুরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২ এর সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রহমত উল্লাহ চৌধুরীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।

২৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে তাদের বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এস এম মেহেদী হাসানকে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট এবং রহমত উল্লাহ চৌধুরীকে ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধেই সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে পলায়ন এবং রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত ও সিলেটে রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) হিসেবে কর্মরত থাকাকালে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কর্তৃপক্ষকে মৌখিক বা লিখিতভাবে না জানিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন এস এম মেহেদী হাসান। পরে তার স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা এবং ই-মেইলে কর্মস্থলে যোগদানের নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি হাজির হননি।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে গত বছরের ১৯ জুন বিভাগীয় মামলা করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। এমনকি জবাব দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময়ও চাননি। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়। চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এরপর ৪ জুন দ্বিতীয়বার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও এস এম মেহেদী হাসান জবাব দেননি।

তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ চাওয়া হলে গত ২৪ আগস্ট কমিশন বরখাস্তের পক্ষে মত দেয়। পরে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

আরেক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গাজীপুরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-২ এ কর্মরত থাকাকালে অসুস্থতার কারণে ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসার জন্য তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) যান রহমত উল্লাহ চৌধুরী। চিকিৎসক তাকে ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে দুই মাস বিশ্রামের পরামর্শ দেন।

বিশ্রাম শেষে ওই বছরের ১১ এপ্রিল তার কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি যোগ দেননি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। এমনকি তার অফিস অর্ডারলি, দেহরক্ষী ও গাড়িচালকও তার অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। পরে রহমত উল্লাহ চৌধুরী স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি কর্মস্থলে ফেরেননি। এ ঘটনায় গত বছরের ৩০ জুলাই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়।

চলতি বছরের ১২ মার্চ দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনে রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। পরে তাকে দ্বিতীয়বার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। এরপর তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত ২৪ আগস্ট সরকারি কর্ম কমিশনও বরখাস্তের পক্ষে পরামর্শ দেয়। পরে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

সূত্র: চ্যানেল ২৪

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ


সরকারের মহাপরিকল্পনা, মনোরেল পথে বাংলাদেশ
সরকারের মহাপরিকল্পনা, মনোরেল পথে বাংলাদেশ
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ০৮:৩৮:১২



পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত
পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ০৮:১০:০৪


অর্থ আত্মসাৎ: তারিক আহমেদ সিদ্দিককে দুদকে তলব
অর্থ আত্মসাৎ: তারিক আহমেদ সিদ্দিককে দুদকে তলব
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৪৯:৪৪



যুবদলের জরুরি নির্দেশনা
যুবদলের জরুরি নির্দেশনা
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:১২:৩৫