• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ১লা আশ্বিন ১৪৩৩ সন্ধ্যা ০৬:৪৮:৩৭ (16-Sep-2026)
  • - ৩৩° সে:

রাশেদ খাঁনকে নির্যাতনের অভিযোগের তদন্ত চলছে: চিফ প্রসিকিউটর

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৫:৫৪:২৯

রাশেদ খাঁনকে নির্যাতনের অভিযোগের তদন্ত চলছে: চিফ প্রসিকিউটর
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। ছবি: সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক: ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় গ্রেফতারের পর নির্যাতন নিয়ে মো. রাশেদ খাঁনের আনা অভিযোগের তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে নির্যাতনের অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে ১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার খোঁজ নেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের তৎকালীন অন্যতম সংগঠক ও প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) মো. রাশেদ খাঁন।

চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে মো. রাশেদ খাঁন সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৮ সালের ১ জুলাই ভাসানটেক থেকে তাকে গ্রেফতার করে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে তাকে ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিটে নেওয়া হয়। সেখানে তৎকালীন অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আহমেদ তাকে হাত-পা ও চোখ বেঁধে এবং মুখে গামছা দিয়ে প্রায় ৩০ মিনিট নির্যাতন করেন।

মো. রাশেদ খাঁন বলেন, ২০২৫ সালের ৭ মে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ বিষয়ে অভিযোগ দাখিল করেছিলেন। সেই অভিযোগের তদন্ত কোন পর্যায়ে রয়েছে, তা জানতেই চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে তার আজকের এই সাক্ষাৎ।

২০১৮ সালের আন্দোলনের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটূক্তির মামলায় গ্রেফতার দেখানোর প্রসঙ্গে মো. রাশেদ খাঁন বলেন, আমি আশা করছি যে, আমাকে ১৫ দিন রিমান্ডে রেখে যে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে জেলে কষ্ট দেওয়া হয়েছে— শেখ হাসিনার নির্দেশনা ছাড়া এডিসি ইশতিয়াক আহমেদ এই কাজ করতে পারেন না। মো. রাশেদ খাঁন আরও বলেন, তার সঙ্গে যুবদল নেতা মোস্তাফিজসহ আরও অনেককে একইভাবে নির্যাতন করেছিলেন ইশতিয়াক আহমেদ।

এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিদের অনেককে তুলে নিয়ে বিভিন্নভাবে অত্যাচার-নির্যাতনের অভিযোগ তাদের কাছে রয়েছে।

ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্ন বা পদ্ধতিতে ব্যাপক মাত্রায় এসব সংঘটিত হয়েছে।

যেহেতু তিনি (ইশতিয়াক) একাধিক ঘটনা একইভাবে সংঘটিত করেছেন, তাই এটি অবশ্যই ব্যাপক ও পদ্ধতিগত অপরাধের (ওয়াইডস্প্রেড অ্যান্ড সিস্টেমেটিক অফেন্স) একটি অংশ।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, মো. রাশেদ খাঁনের অভিযোগের তদন্ত চলছে। তার বক্তব্য নেওয়া হয়েছে এবং এর সঙ্গে আরও কারা জড়িত, কী উদ্দেশ্যে তাকে নির্যাতন করা হয়েছিল, সেসব যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

মো. রাশেদ খাঁনের অভিযোগটি ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারভুক্ত অপরাধ বলে মনে হচ্ছে উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

অন্যদিকে তৎকালীন অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে মাওলানা আলামিন নামে এক ব্যক্তিকে তুলে নিয়ে হত্যা ও গুমের আরেকটি অভিযোগের কথা জানান চিফ প্রসিকিউটর।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, মাওলানা আলামিনকে অপহরণের পর দীর্ঘদিন তাকে হেফাজতে (কাস্টডিতে) রাখা হয়েছিল। পরে তাকে হত্যা করে গুম করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ওই ঘটনায় ইশতিয়াক আহমেদসহ পাচজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

সূত্র: বাসস

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ

ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্পের অনুমোদন, যেসব রুটে চলবে
ইলেকট্রিক ট্রেন প্রকল্পের অনুমোদন, যেসব রুটে চলবে
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:২৫:৪৯



মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে ভারতসহ ১০ দেশ
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে ভারতসহ ১০ দেশ
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৫:৩৪:২২

ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৭ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৭ মৃত্যু
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৫:২৫:৫২