• ঢাকা
  • |
  • শনিবার ২৩শে কার্তিক ১৪৩৩ বিকাল ০৫:২১:৫০ (07-Nov-2026)
  • - ৩৩° সে:

সাদ্দাম-ইনানকে ফোনে হামলার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের

৬ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ১২:৫০:৪৫

সাদ্দাম-ইনানকে ফোনে হামলার নির্দেশ দেন ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে যুক্তিতর্কের দ্বিতীয় দিনে একটি কল রেকর্ড গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন।

৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন দাবি করে, ২০২৪ সালের ১১ জুলাই তৎকালীন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনানকে ফোন করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার নির্দেশ দেন। এ দাবির সমর্থনে সংশ্লিষ্ট কল রেকর্ড আদালতে দাখিল করা হয়।

প্রসিকিউশনের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই কথোপকথনে ওবায়দুল কাদেরকে বলতে শোনা যায়, “এদের মারো না কেন।” জবাবে সাদ্দাম হোসেন বলেন, “পুলিশ মুখোমুখি হতে নিষেধ করেছে।” প্রসিকিউশনের দাবি, এ বক্তব্য ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সহিংস কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করেছিল।

আরও পড়ুন

জামালপুরে শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে শিক্ষককে ৮ বছর কারাদণ্ড

এর আগে ৪ আগস্ট মামলায় যুক্তিতর্ক শুরু হয়। প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম আদালতে বলেন, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি ছিল পরিকল্পিত, সুসংগঠিত ও দেশব্যাপী পরিচালিত অপরাধ। তার দাবি, আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং দলীয় অঙ্গসংগঠনগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করেছে।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগকে মাঠে নামার নির্দেশ দেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এবং আন্দোলন দমনে সহিংস কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। ট্রাইব্যুনালের নথি অনুযায়ী, তারা সবাই পলাতক।

আরও পড়ুন

মানিকগঞ্জে হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ৮

গত ২ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তাসহ ২৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। এর আগে ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) ট্রাইব্যুনাল আমলে নেয়।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ, আসামিরা আন্দোলন দমনে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন এবং সহিংসতা বাস্তবায়নে সমন্বিত ভূমিকা পালন করেন। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে বলে প্রসিকিউশনের দাবি।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ








বিএনপির শোভাযাত্রায় হাতি-ঘোড়ার গাড়ি
বিএনপির শোভাযাত্রায় হাতি-ঘোড়ার গাড়ি
৭ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৪:৫৪:১৩

হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে ৪ শিশুর মৃত্যু
৭ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৪:৪৪:২৯