• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ১৬ই ভাদ্র ১৪৩৩ বিকাল ০৩:০২:৩৫ (31-Aug-2026)
  • - ৩৩° সে:

শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

৩১ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮:২৮

শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

ডেস্ক রিপোর্ট: মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

৩১ আগস্ট সোমবার বেলা ১১টার দিকে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে গত ২৫ আগস্ট মামলাটির রায় ঘোষণার কথা ছিল। তবে রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত রায় ঘোষণার জন্য ৩১ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক। তাকে সহায়তা করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি। আসামি হিটু শেখের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৫ মার্চ রাতে মাগুরা সদর উপজেলার নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় শিশু আছিয়া। রমজানের ছুটিতে সেখানে বেড়াতে গিয়েছিল সে। শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ ধর্ষণের পর তাকে হত্যার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) মারা যায় আট বছর বয়সী আছিয়া।

এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ চার আসামিকেই গ্রেপ্তার করে।

২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। ২৭ এপ্রিল শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২৯ জন সাক্ষ্য দেন। ৭ মে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়।

একই বছরের ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। পরে ১৭ মে ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে (৪৭) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। তারা হলেন—নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ (১৯), সজীবের ছোট ভাই (১৭) ও তার মা জাহেদা বেগম (৪০)।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার নথি উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ২১ মে মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক তৈরির জন্য নথি বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। পেপারবুক প্রস্তুত হওয়ার পর গত ৮ জুন তা হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পরে মামলাটি শুনানির জন্য বিশেষায়িত বেঞ্চের কার্যতালিকায় আসে।

সূত্র: কালের কণ্ঠ

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ