আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলো ১৮টি আসন পেতে পারে বলে বুথফেরত জরিপে আভাস পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দেশটির ফিলিস্তিনি নাগরিকদের ভোটদানের হারও কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। খবর আল-জাজিরার।
ইসরায়েলের ১২০ আসনের পার্লামেন্ট নেসেটে জয়েন্ট লিস্ট ও রা’আম দল রেকর্ডসংখ্যক আসন পেতে পারে বলে প্রাথমিক জরিপে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এদিকে সাবেক সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির নেতৃত্বাধীন জোট উভয়ই ৫১টি করে আসন পেতে পারে বলে হালনাগাদ জরিপে দেখা গেছে।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর তথ্য অনুযায়ী, ফিলিস্তিনি নাগরিকদের মধ্যে ভোটদানের হার প্রায় ৮০ শতাংশে পৌঁছেছে। দেশটির সামগ্রিক ভোটদানের হারও ৭৭ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ।
রা’আম দলের নেতা মানসুর আব্বাস বলেছেন, চূড়ান্ত ফলাফলে তার দলসহ নেতানিয়াহুবিরোধী জোট ৬১টি আসন পেলে সরকার গঠনের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, কোনো পক্ষেরই প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই।
সাবেক ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত আলোন পিঙ্কাসের মতে, নির্বাচনি প্রচারে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় বিরোধী শিবিরের সরকার গঠন কঠিন হতে পারে। অথচ সরকার গঠনে আরব দলগুলোর সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
নির্বাচনের আগে নেতানিয়াহু ও তার ডানপন্থি জোটের নেতারা আরব নাগরিকদের ভোটদানের হার বৃদ্ধি নিয়ে প্রচার চালান। আরব রাজনীতিকেরা এ ধরনের প্রচারকে বর্ণবাদী ও উসকানিমূলক বলে সমালোচনা করেছেন।
ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২১ শতাংশ ফিলিস্তিনি নাগরিক। দীর্ঘদিন ধরে তাদের ভোটদানের হার তুলনামূলক কম থাকলেও এবারের নির্বাচনে ব্যাপক অংশগ্রহণ দেশটির সরকার গঠনের হিসাব-নিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এটিভি/এসআইআর
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available