আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সেনা এবং সামরিক নৌযান মোতায়েনের বিষয়টি বিবেচনা করছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটির কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ সেখানে সামরিক সম্পদ পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে সামরিক সম্পদ পাঠানোর বিষয়ে চলতি মাসে মন্ত্রিসভার পর্যালোচনার পর জাতীয় সংসদের অনুমোদন চাওয়া হতে পারে বলে দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
সম্ভাব্য সহায়তার মধ্যে সামুদ্রিক টহল বিমান, রসদ সরবরাহকারী জাহাজ এবং সমুদ্রপথে মাইন শনাক্ত ও অপসারণে সক্ষম বিশেষ দল পাঠানোর বিষয়টি রয়েছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার আলোচনা চলছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এসব প্রতিবেদনের পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় বিষয়টি স্পষ্ট করে। তারা জানায়, হরমুজ প্রণালি ও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় দক্ষিণ কোরিয়া কীভাবে অবদান রাখতে পারে, তা নিয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। কিন্তু সেনা বা সামরিক সম্পদ পাঠানোর বিষয়ে এখনো বিস্তারিত চূড়ান্ত হয়নি।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংয়ের সরকারের সমালোচনা করে জানিয়েছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রচেষ্টায় সিউল সরাসরি সহযোগিতা করতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। ট্রাম্পের দাবি ছিল, এ কারণে যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার পরিধি কমানো হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথগুলোর একটি। চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের মধ্যে এ পথে নৌ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available