• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ২২শে আষাঢ় ১৪৩৩ সকাল ১০:৪১:৩৪ (06-Jul-2026)
  • - ৩৩° সে:

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে পরাজয়ের পর মুখ খুললেন চিত্রনায়িকা পলি

৬ জুলাই ২০২৬ সকাল ০৯:৩৯:০২

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে পরাজয়ের পর মুখ খুললেন চিত্রনায়িকা পলি

বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে পরাজয়ের দুই দিন পর ভোট কেনাবেচা ও অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন চিত্রনায়িকা পলি। তিনি দাবি করেছেন, অর্থের প্রভাবেই নির্বাচনে তিনি পরাজিত হয়েছেন।

শিবা শানু ও জয় চৌধুরীর প্যানেল থেকে আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন পলি। যদিও সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ওই প্যানেলের প্রার্থীরা বিজয়ী হন, তবে নিজের পদে জয় পাননি তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে পলি অভিযোগ করেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী আবীর চৌধুরী শিল্পীদের ভোট কেনার জন্য অর্থ ব্যয় করেছেন। এ কাজে শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিপুণ আক্তার সরাসরি ভূমিকা রেখেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

পলির ভাষ্য, নির্বাচনের আগে কয়েকজন ভোটার তাকে জানিয়েছেন যে, নিপুণ আক্তার একাধিক দফায় ১০৩ জন শিল্পীকে ডেকে অর্থ দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি কয়েকটি কল রেকর্ডও শোনান, যেখানে কয়েকজন ভোটারকে এ ধরনের দাবি করতে শোনা যায়।

তিনি বলেন, ‘প্যানেল ঘোষণার আগে আবীরকে আমি চিনতাম না। ভোট চাইতে গিয়ে অনেক শিল্পীকেও দেখেছি, তারা তাকে চিনতেন না। পরে জানতে পারি, টাকা দিয়ে ভোট কেনা হয়েছে। আমাকে হারানোর জন্য নিপুণ তার বাসায় ডেকে নৃত্যশিল্পী ও ফাইটারদের একটি গ্রুপকে কয়েক দফা টাকা দিয়েছেন।’

নিজের প্যানেলের বিরুদ্ধেও প্রতারণার অভিযোগ করেন পলি। তার দাবি, প্যানেলের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিনি জয় চৌধুরীকে তিন লাখ টাকা দিয়েছিলেন। পরে আরও অর্থ চাওয়া হলে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর থেকেই প্যানেলের নেতাদের আচরণ বদলে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পলি বলেন, ‘নির্বাচনের দিনও আমাকে বলা হয়েছিল, আমাদের প্যানেলের প্রায় ১০০টি নিশ্চিত ভোট রয়েছে। কিন্তু ফল ঘোষণার পর দেখি প্যানেলের অন্যরা জয়ী হলেও শুধু আমি হেরে গেছি। পরে জানতে পারি, আমার নিজের প্যানেলই আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘টাকার কাছে প্রকৃত শিল্পীরা হেরে যাচ্ছেন। কালোটাকার প্রভাবে আমাকে হারানো হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জবাব চাই। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনারও আহ্বান জানাচ্ছি।’

উল্লেখ্য, পলির এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আবীর চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিপুণ আক্তার কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্যদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাই অভিযোগগুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সূত্র: আজকের পত্রিকা

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ











Follow Us