অনলাইন ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ বাবা হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার ৩ দিন পর ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে মেঘনা নদীর শাখা মারিখালি নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। এর আগে তার ৩ সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জাহেদ চৌধুরী।
গত শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর সকালে মেঘনা নদী থেকে হেলাল উদ্দিনের ৩ সন্তান সজিব, সামিয়া ও শিশু সামিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার শ্রীমন্দী গ্রাম থেকে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ট্রলারে করে সোনারগাঁয়ের সোনাময়ী গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন স্বজনেরা। গরু-ছাগলসহ ট্রলারটিতে মোট ১৩ জন যাত্রী ছিলেন। ট্রলারটি বৈদ্যারবাজার এলাকার কাছাকাছি পৌঁছালে বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঝড়ের কবলে পড়ে উল্টে যায়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত এবং রায়েশা বেগম নামে এক নারীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তবে হেলাল উদ্দিন ও তার ৩ সন্তান নদীর প্রবল স্রোতে তলিয়ে নিখোঁজ হন। এরপর থেকেই তাদের সন্ধানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ যৌথ উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
গত শনিবার সকালে ৩ ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধারের পর সোমবার দুপুরে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের হাত-কোপা ও রতনপুর এলাকার মাঝামাঝি নতুন ব্রিজের নিচে মারিখালি নদীতে হেলাল উদ্দিনের মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।
সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জাহেদ চৌধুরী জানান, নিখোঁজ ৪ জনের মধ্যে বাকি থাকা হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশের যৌথ উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত হয়েছে।
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available