• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ১০ই আশ্বিন ১৪৩৩ রাত ১১:১৪:৪৮ (25-Sep-2026)
  • - ৩৩° সে:

হ্মণবাড়িযায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাত ০৯:২৪:০৮

হ্মণবাড়িযায় শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মাহিদা নামের (৭) বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

২৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুরে উপজেলার তালশহর ইউনিয়নের আন্দিদিল গ্রামে বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মাহিদা ওই গ্রামের সৌদি প্রবাসী মোজ্জামেল মিয়ার মেয়ে। নিহত মাহিদা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন৷

পরিবারের অভিযোগ মাহিদাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে মাহিদার চাচা জাহিদুল। ঘটনার পরপর স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে অভিযুক্ত জাহিদুলের বাড়ি ভাংচুর করে তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে তাকে থানায় নিয়ে যায়।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় লোকজন জানান, দুপুরের দিকে মাহিদার মা ডাক্তার দেখানোর জন্য উপজেলা শহরে যায়। এ সময় তিনি তার দুই মেয়েকে ঘরে রেখে যান। পরে তারই চাচা জাহিদুল ভাতিজি মাহিদাকে পানি খাওয়ার কথা বলে একটি বসতঘরে ডেকে নিয়ে যায়৷ সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে হত্যা করে। পরে মাহিদার মা মনিরা বেগম তার মেয়ের খোঁজ না পেয়ে সন্দেহ বসত জাহিদুলের ঘরে প্রবেশ করলে তার মেয়েকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। পরে তার আত্মচিৎকারে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে অচেতন অবস্থায় মাহিদাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

নিহত মাহিদার মা মনিরা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। মাহিদা আমার মেঝো মেয়ে। আমি আমার ছোট ছেলেকে ডাক্তার দেখানোর জন্য পাশের একটি বাজারে গিয়েছিলাম। বাসায় ফিরে মাহিদাকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। পরে কাপড় আনতে গিয়ে জাহিদুলের ঘরে গিয়ে তাকে মাহিদার কথা জিজ্ঞেস করি। এতে সে অসংলগ্ন আচরণ শুরু করে। পরে সন্দেহ হলে তার পাশের একটি ঘর থেকে মাহিদার মরদেহ পাওয়া যায়। আমি এই ঘটনার বিচার চাই। সরকার যেন জাহিদুলের দৃষ্টান্তমূলক বিচার করে।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মনির হোসেন জানান, নিহত শিশুটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। শিশুটির শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। ময়নাতদন্তের পর ধর্ষন ও মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

সরাইল-আশুগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম জানান, একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পর পরই অভিযুক্ত জাহিদুলকে আটক করা হয়। প্রাথমিকভাবে সে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ







দেশের ৮ বিভাগেই বৃষ্টির শঙ্কা
দেশের ৮ বিভাগেই বৃষ্টির শঙ্কা
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৫৮:৪৪

প্রবাসীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ দিল জাপান
প্রবাসীদের জন্য বড় দুঃসংবাদ দিল জাপান
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৫৩:০৪