অনলাইন ডেস্ক: খান জাহান আলী (রহ.) মাজার দিঘির মহিলা ঘাট থেকে কুমির টেনে নিয়ে যাওয়া শিশু ফাতেমার লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে দিঘির পূর্ব পাশে লাশ ভেসে উঠলে তাকে উদ্ধার করা হয়।
এর আগে ১ জুন সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে জাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘির মহিলা ঘাট থেকে কুমির টেনে নিয়ে যায় শিশু ফাতেমাকে। মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাজারের প্রধান খাদেম সাবেক চেয়ারম্যান শেখ তরিকুল ইসলাম।
নিহত ফাতেমা মানসিক প্রতিবন্ধী এক নারীর মেয়ে। তারা মাজার এলাকাতেই বসবাস করতো। তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটির বাবার পরিচয় এবং তাদের স্থায়ী ঠিকানা জানা যায়নি।
স্থানীয়রা জানায়, বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ ইউনিয়নে অবস্থিত খান জাহান আলী (রহ.) মাজারের মানসিক প্রতিবন্ধি ওই মা মহিলা ঘাটে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফাতেমাকে গোসল করতে দিঘিতে নামে। এ সময় দিঘিতে থাকা কুমির তাকে কামড়ে ধরে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়।
শিশুটির চিৎকার শুনে মাজার এলাকায় অবস্থানরত স্থানীয় লোকজন দ্রুত নৌকা নিয়ে দিঘিতে নেমে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। পরে বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হলে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য, শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন ও জেলা পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা।
ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ভোর পৌনে ৫টার দিকে মাজার দিঘির পূর্ব পাশে অর্থাৎ যেখান থেকে কুমির টেনে নিয়ে ছিল তার পাশেই লাশ ভেসে উঠলে শিশু ফাতেমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাজার এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন।
জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, ঘাট এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আর কুমিরটি সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে আমরা খুব শীগ্রই সিদ্বান্ত নেব।
সূত্র: নিউজ ২৪
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available