নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোজ্যতেলের লিটারপ্রতি দাম চার টাকা বাড়ানোর পর বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দামের ক্ষেত্রে কোনো ব্যত্যয় সহ্য করা হবে না। আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমলে দেশের বাজারেও কমানো হবে।
২৯ এপ্রিল বুধবার সচিবালয়ে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।


খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘এখন যেহেতু মূল্য সমন্বয় হয়েছে। আমরা বাজারে নজরদারি আরও জোরদার করবো। স্থানীয় প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এ বিষয়ে কাজ করবে।

আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী মূল্য সমন্বয় বলতে বোঝায় যে যখন দাম বাড়ে তখন এখানে বাড়ানো হয় যখন কমে তখন এখানেও কমানোর কথা। কিন্তু বাংলাদেশে এ প্র্যাকটিসটা নেই। বাংলাদেশে প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্টের নামে মূল্য সমন্বয়ের নামে প্রত্যেক ক্ষেত্রে দাম বাড়ানো হয়- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনার কথাটা ১০০ শতাংশ সমর্থন করি। কিন্তু, আজ কয় তারিখ? ২৯ তারিখ (এপ্রিল)। আপনি ২৯ তারিখটা মনে রাখেন, প্রাইস যখনই কমবে সেটার রিফ্লেকশন এখানে হবে। এ ব্যাপারে আপনি নিশ্চিত থাকেন।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি আবারও স্পষ্টভাবে বলছি, যদি উৎসে মূল্য কমে, এখানেও মূল্য কমাতে হবে।’
ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোয় মানুষের ওপর একটা চাপ সৃষ্টি করবে- এ বিষয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘চাপ তো বটেই। আপনি মূল্যবৃদ্ধি করলে চাপ হবে না? বেশিরভাগ মানুষের আয় তো নির্ধারিত। আপনি যেটিই বৃদ্ধি করবেন সেটিই তো তার জন্য চাপ। তার ডিসপোজেবল ইনকামটা কমে যাবে না? কিন্তু আপনার বাধ্যবাধকতার বিষয় তো বুঝতে হবে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই তেল প্রথমত বাংলাদেশে হয় না। সয়াবিন বাংলাদেশে হয় না এটা বাইরে থেকে আনতে হয়। এখন ভোক্তারা ঠিক করবে যে আমি বর্ধিত দামের জিনিসটা নেবো অথবা নেবো না। নাকি আমি ভিন্ন কোনো তেল নেবো, রাইস ব্র্যান অয়েল ব্যবহার করবো বা পাম অয়েল ব্যবহার করবো। এটা ভোক্তাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে আপনি যে চাপের কথা বলছেন আমি আপনার সঙ্গে ১০০ শতাংশ একমত। যে কোনো মূল্যবৃদ্ধিই একটা চাপ।’
(এই ওয়েবসাইটের যেকোনো কিছু অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনি)
© 2026, এশিয়ান অনলাইন টিভি  |  সর্বস্বত্ব সংরক্ষিতDeveloped by Future IT
Recent comments
Latest Comments section by users
No comment available