• ঢাকা
  • |
  • রবিবার ৭ই আষাঢ় ১৪৩৩ বিকাল ০৫:০৭:০১ (21-Jun-2026)
  • - ৩৩° সে:
এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী, ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে

এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী, ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেওয়া হবে

অনলাইন ডেস্ক: দেশজুড়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করতে আগামী তিন থেকে চার বছরের মধ্যে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।২১ জুন রোববার সচিবালয়ে স্বাস্থ্যখাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, সরকার চিকিৎসাব্যবস্থাকে রোগের চিকিৎসানির্ভর ধারা থেকে প্রতিরোধভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবায় রূপান্তর করতে চায়। এ লক্ষ্যে প্রতিটি ইউনিয়ন ও শহুরে ওয়ার্ডে প্রাথমিক স্বাস্থ্য ইউনিট গড়ে তোলা হবে। এসব কেন্দ্রে স্বাভাবিক প্রসবের ব্যবস্থা থাকবে এবং অন্তত দুজন করে মিডওয়াইফ দায়িত্ব পালন করবেন।তিনি জানান, বর্তমানে ৩০ থেকে ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো পর্যায়ক্রমে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। সেখানে জটিল প্রসব, নবজাতকের নিবিড় পরিচর্যা ও পূর্ণাঙ্গ মাতৃসেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।ড. জিয়াউদ্দিন বলেন, বর্তমানে সরকারি ব্যবস্থায় মাত্র আড়াই থেকে তিন হাজার মিডওয়াইফ কর্মরত আছেন, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এ সংকট মোকাবিলায় আগামী এক বছরের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রার অন্তত এক-তৃতীয়াংশ মিডওয়াইফ নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপিদের সমন্বয়ে ‘কমিউনিটি হেলথ ওয়ার্কার’ নামে একটি একক কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এসব কর্মী নিয়মিত পরিবারভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।কমিউনিটি ক্লিনিক বাতিলের কোনো পরিকল্পনা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, এগুলোকে বৃহত্তর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নেটওয়ার্কের আওতায় ‘স্বাস্থ্য হাব’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।এদিকে হামের টিকা কার্যক্রমে ঘাটতির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে টিকা সংগ্রহ ও ক্রয় প্রক্রিয়ায় গাফিলতির কারণে ২০২৪-২৫ সালের টিকাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে নতুন করে তদন্তের প্রয়োজন নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।তিনি জানান, টিকা ও অন্যান্য জরুরি স্বাস্থ্যসামগ্রীর ঘাটতি দ্রুত কাটিয়ে উঠতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে প্রতিটি নাগরিকের জন্য ডিজিটাল স্বাস্থ্য কার্ড চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে রোগীর চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী রেফারেল ব্যবস্থা সহজ করা যায়।