• ঢাকা
  • |
  • শনিবার ২৮শে চৈত্র ১৪৩২ বিকাল ০৫:৫৬:৪৩ (11-Apr-2026)
  • - ৩৩° সে:
সেচ উন্নয়ন ও কৃষক কার্ডে কৃষিতে নতুন বিপ্লব আসবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

সেচ উন্নয়ন ও কৃষক কার্ডে কৃষিতে নতুন বিপ্লব আসবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বাজার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সরকার বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প ও বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।১১ এপ্রিল শনিবার সিলেট সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রায় তিন হাজার কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য খাল পুনঃখনন ও সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান, সিলেটের বাসিয়া খালসহ বিভিন্ন খাল পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সুরমা নদী থেকে শুরু হয়ে দক্ষিণ সুরমা ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলের বিস্তৃত এলাকায় প্রবাহিত। এসব খাল পুনঃখননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন ও শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।তিনি আরও বলেন, ভৌগোলিক কারণে যেসব এলাকায় পানি জমে থাকে, সেখানে দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সেচ সুবিধা বাড়িয়ে বছরে অতিরিক্ত একটি ফসল উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে, যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।মন্ত্রী জানান, আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে কৃষক কার্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের তথ্য একটি কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকবে, ফলে সার, বীজ, কীটনাশক ও কৃষিঋণসহ বিভিন্ন সেবা সহজলভ্য হবে। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ফসল ক্ষতির তথ্য দ্রুত কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।তিনি বলেন, সরকার ধাপে ধাপে দেশের সব কৃষিজমির ম্যাপিং কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এতে কোন অঞ্চলে কোন ফসল সবচেয়ে উপযোগী ও লাভজনক, সে তথ্য কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।কৃষকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, সীমিত আবাদি জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং পতিত জমি চাষের আওতায় আনতে হবে। একই এলাকায় একই ধরনের ফসল চাষ করলে সরকারি সহায়তা, রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ ও বাজার ব্যবস্থাপনা সহজ হবে।তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, খাল পুনঃখনন, সেচ উন্নয়ন ও কৃষি প্রণোদনা কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিলেটসহ সারাদেশে একটি কৃষি বিপ্লব ঘটবে।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াত। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।উল্লেখ্য, প্রণোদনা হিসেবে কৃষকদের মাঝে বীজ ৫ কেজি, ডিএপি সার ১০ কেজি ও এমওপি সার ১০ কেজিসহ মোট ২৫ কেজি কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।