• ঢাকা
  • |
  • বৃহঃস্পতিবার ১৪ই কার্তিক ১৪৩৩ রাত ১০:৩০:১০ (29-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:
আমারে একটা বিরাট শয়তানে ধরে ছিল: তাশরীফের বাবা

আমারে একটা বিরাট শয়তানে ধরে ছিল: তাশরীফের বাবা

ডেস্ক রিপোর্ট: ইসলামি আলোচক জুবায়ের আহমাদ তাশরীফের বিরুদ্ধে কথা বলে অনুতপ্ত হয়েছেন তার বাবা মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহ। নিজের অতিরিক্ত রাগ ও কিছু মানুষের প্রলোভনে পড়ে ভিডিওতে এসে ভুল করেছেন উল্লেখ করে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে ছেলের আরও উন্নতি কামনা করে তার বিরুদ্ধে আর কখনও কথা না বলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।২৮ অক্টোবর বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে স্যোশাল মিডিয়ায় ফেসবুকে বাবাকে পাশে নিয়ে দীর্ঘ একটি ভিডিওবার্তা দেন তাশরীফ। ওই ভিডিওতে তার বাবাকে নিজের ভুল স্বীকার করে এসব কথা বলতে শোনা যায়।মাওলানা মো. হেদায়েতুল্লাহ বলেন, ‘আমি কেন ভিডিওতে গেলাম? আসলে তো আমারে ধরছে একটা বিরাট বড় শয়তানে। দেশবাসীর কাছেও আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আমার জীবনে যে ভুল করছি ভিডিওতে আইসা। আর আমি এই ভুল আর বাকি জীবনে যেন আমার না হয়। আমি করবো না, করতে চাই না। বেশি রাগের কারণে আজকে আমার অধঃপতন।’তিনি বলেন, পরিবারে রাগ-গোস্বা হতেই পারে। কিন্তু তার অতিরিক্ত রাগের কারণেই পরিস্থিতি এত দূর গড়িয়েছে। ভিডিওতে না এলে ঘটনা এত দূর গড়াত না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। কিছু মানুষ তাকে প্রলোভন দেখিয়েছেন উল্লেখ করে তাদের নাম প্রকাশ করতে চাননি তাশরীফের বাবা।হেদায়েতুল্লাহ বলেন, আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন। কিন্তু তিনি ধৈর্য ধরতে পারেননি। আল্লাহর নির্দেশ মেনে চললে এবং তাকে দেওয়া ইলম অনুযায়ী কাজ করলে জীবনে আরও উন্নতি হতো বলে মনে করেন তিনি। কিছু মানুষের প্রলোভনে পড়ে ভিডিওতে এসে ‘মহাঅন্যায়’ করেছেন বলেও স্বীকার করেন।ছেলের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আল্লাহ তাকে এমন এক সন্তান দিয়েছেন, যার চেহারা, কণ্ঠ, কথা বলা ও আচার-আচরণে বিশেষ নেয়ামত রয়েছে। কিন্তু তিনি ছেলের মূল্য বুঝতে পারেননি। এজন্য নিজের ব্যর্থতার কথাও স্বীকার করেন তিনি।তাশরীফের বাবা জানান, তার স্ত্রী ছেলের বিষয়ে তাকে বুঝিয়েছেন। তিনি বলেন, স্ত্রী তাকে মনে করিয়ে দিয়েছেন, ছেলে আজ পাশে না থাকলেও পাঁচ বছর পর হলেও বিপদের সময় বাবার পাশে দাঁড়াবে। এ কথা শুনে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন তিনি।হেদায়েতুল্লাহ বলেন, ‘তার এই কথা শুনে আমার টনক নড়ে গেছে। যে কিনা তার উদরের সন্তান না, তাকে নিয়ে সে কত ভাবছে। অথচ আমার ঔরসে জন্ম নেওয়া সন্তান সম্পর্কে আমি কত কী বলে ফেলেছি! তাহলে আমি কোথায়, আর সে কোথায়!’এটিভি/ এইচকে