• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ২৬শে শ্রাবণ ১৪৩৩ সকাল ১০:৪২:২৩ (10-Aug-2026)
  • - ৩৩° সে:
ভারতের সঙ্গে সরাসরি রেল যোগাযোগের কথা ভাবছে রাশিয়া

ভারতের সঙ্গে সরাসরি রেল যোগাযোগের কথা ভাবছে রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে স্থলপথের যোগাযোগ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক নতুন রেল রুট তৈরির প্রস্তাব বিবেচনা করছে রাশিয়া।সমুদ্রপথের ঝুঁকি এড়িয়ে সরাসরি ভারত মহাসাগরে পৌঁছানো এবং ভারতের সঙ্গে স্থলপথের যোগাযোগ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এক নতুন রেল রুট তৈরির প্রস্তাব বিবেচনা করছে রাশিয়া।সম্প্রতি রুশ সংবাদসংস্থা তাস-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এমন ধারণার কথা জানান দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী মারাত খাসনুলিন।রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী জানান, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জলপথ—বিশেষ করে বসফরাস প্রণালি এবং হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা ও ঝুঁকি কমাতে বিকল্প স্থলপথ অনুসন্ধান করা উচিত।এই লক্ষ্যে রাশিয়া থেকে শুরু হয়ে তুর্কমেনিস্তান, ইরান, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান অতিক্রম করে ভারতে পৌঁছাবে—এমন একটি সম্ভাব্য দূরপাল্লার রেল রুট তৈরির প্রস্তাব বিবেচনা করছে মস্কো।খাসনুলিন স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, ভারতের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরি করে এমন যেকোনো বিকল্প রুটই তারা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন।উল্লেখ্য, প্রস্তাবটি বর্তমানে একেবারেই শুরুর প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। এই মুহূর্তে রাশিয়া-ভারতের মধ্যে কোনো যাত্রীবাহী ট্রেন, নির্দিষ্ট সময়সূচী, টিকিটের মূল্য বা চালুর তারিখের মতো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।এ ভাবনার মূল উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথগুলোর ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো। বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের প্রায় ২৫ শতাংশ এবং এলএনজি চালানের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। এ সব গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি হলে তা এড়াতেই রাশিয়া এমন বিকল্প স্থলপথের কথা চিন্তা করছে।ভারত ও রাশিয়ার জন্য সম্ভাব্য গুরুত্বএটি বাস্তবায়িত হলে সমুদ্রপথের ওপর শতভাগ নির্ভর না করে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের পণ্য পরিবহনের একটি শক্তিশালী বিকল্প পথ খুঁজে পাবে মস্কো। অন্যদিকে, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া এবং রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের মধ্যকার স্থলভাগের বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বহুগুণ শক্তিশালী হবে।পাশাপাশি ভবিষ্যতে এই বিস্তৃত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মানুষের মধ্যে সরাসরি স্থলপথে যাতায়াত এবং পর্যটন খাতের প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।সূত্র: রুশ সংবাদসংস্থা তাস