• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ২৪শে আশ্বিন ১৪৩৩ সকাল ১০:১৬:৪৭ (09-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:
রংপুরে চার খুনের ঘটনায় সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের ডিএনএ শনাক্ত

রংপুরে চার খুনের ঘটনায় সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধের ডিএনএ শনাক্ত

ডেস্ক রিপোর্ট: রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা বিভিন্ন আলামতের নমুনার মিল পাওয়া গেছে। ডিএনএ পরীক্ষায় এ তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।তিনি জানান, দুই আসামির ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার জন্য গত ২১ সেপ্টেম্বর তাঁদের রংপুর কারাগার থেকে ঢাকায় অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে তাঁদের ডিএনএর সঙ্গে পাঠানো বিভিন্ন আলামতের নমুনার মিল পাওয়া গেছে।সনাতন চক্রবর্তী বলেন, পরীক্ষায় খেজুর, শসা ও সিগারেটসহ বিভিন্ন আলামতের সঙ্গে দুই আসামির ডিএনএর মিল শনাক্ত হয়েছে। তাঁর দাবি, এই ফলাফল হত্যাকাণ্ডে তাঁদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি নিশ্চিত করে।সিআইডি ও তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের শিকার শিক্ষক পরিবারের সদস্যদের মরদেহ উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থল থেকে ৩৫টি আলামত সংগ্রহ করা হয়। ঘটনার ১২ দিন পর তিন দফায় এসব আলামত ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।আলামতগুলোর মধ্যে ছিল ফল কাটার চাকু, মাদক সেবনে ব্যবহৃত ফয়েল, সিগারেটের অবশিষ্টাংশ, নানরুটি, শসা, খেজুর, বেসিনের দাগ এবং নিহত শিশু প্রিয়মের খাতায় পাওয়া একটি লেখা। এসব আলামতের পরীক্ষার ফল তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।এর আগে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তারের নয় দিন পর সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের মাদক শনাক্তকরণ পরীক্ষা করা হয়। ওই পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে মাদক সেবনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকায় একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় একই এলাকার বাসিন্দা ও প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।পরে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার আসামিরা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।আলোচিত এ মামলায় আসামিদের বন্ধু সীমান্ত দাস, দখিগঞ্জ শ্মশানের পাহারাদার বিদ্যুৎ মোহন্ত এবং মাদক সরবরাহকারী হিসেবে পরিচিত শান্ত দাস ওরফে পুঁটি শান্ত আদালতে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলাটি বর্তমানে রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করছে।সূত্র: ঢাকা পোস্ট