• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ২৪শে ভাদ্র ১৪৩৩ বিকাল ০৫:০৮:০৩ (08-Sep-2026)
  • - ৩৩° সে:
আ. লীগ রাজনৈতিক দল নয়, মাফিয়া গ্যাং: ডা. জাহেদ

আ. লীগ রাজনৈতিক দল নয়, মাফিয়া গ্যাং: ডা. জাহেদ

অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান মন্তব্য করে বলেছেন, আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল মনে করি না, এটি একটি মাফিয়া গ্যাং। ৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।ডা. জাহেদ বলেন, আওয়ামী লীগ কেন রাজনীতি করতে পারবে না, কেউ কেউ এ আলাপ করার চেষ্টা করে। বাঁধনের সঙ্গে যা হয়েছে, তাতে আবার ভাবতে হবে, আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করে কোনোভাবে বাংলাদেশের মাটিতে রাজনীতি করতে দেওয়া উচিত হবে কি না। আওয়ামী লীগ যা যা ঘটিয়েছে, তার পরে ন্যূনতম দুঃখবোধ থাকলে কিংবা রাজনীতিতে ফিরে আসার ইচ্ছে থাকলে এ সহিংসতাগুলো করা হতো না।বাঁধনের ওপর হামলার বিচার নিয়ে ডা. জাহেদ বলেন, এ ব্যাপারে ওই দেশে আইননানুগ ব্যবস্থা যা নেওয়ার, সরকার তার প্রসেস শুরু করেছে। এ ঘটনাকে ছেড়ে দেব না, কোনোভাবেই ছেড়ে দেওয়া যাবে না।লোডশেডিং নিয়ে ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ২০২৬ সালের জুন-জুলাইয়ে এভারেজ লোডশেডিং ২০২৩-এর তুলনায় কম ছিল। ঢাকায়ও কিছুটা লোডশেডিং হওয়া উচিত। ঢাকা বড় শহর, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি; সে কারণে একেবারেই লোডশেডিং হবে না, এমনটি ঠিক নয়। ঢাকায় কিছুটা লোডশেডিং হচ্ছে ইদানিং।  সার সংকট নিয়ে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে সার আছে ১২ দশমিক ২৯৪ লাখ মেট্রিক টন। গত বছর ছিল সাড়ে ১১ লাখ মেট্রিক টন। মজুতজনিত কোনো সমস্যা নেই, বিতরণে কিছু সমস্যা হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, মানুষের জীবন নিরাপদ রাখতে রুটিন কাজ করে যাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অস্ত্র উদ্ধারের কাজও ঠিকঠাকভাবে করছে মন্ত্রণালয়।গ্যাংস সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ চাইলেও অনেক বেশি এলএনজি আমদানি করতে পারে না। কারণ, এফএসআরও-এর সক্ষমতা নেই। চীনের কাছে জরুরি ভিত্তিতে এফএসআরও-এর অর্ডার দেওয়া হয়েছে, যেটি দেড় বছরের মধ্যে আসবে। খরচের চেয়ে আপৎকালীন দিকটি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার বেশিদিন না থাকলেও ভবিষ্যতের চিন্তা করা উচিত ছিল তাদের। স্থলভাগের গ্যাস, এফএসআরইউ নিয়ে পদক্ষেপ নেয়নি।যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা বলেন, যে বোয়িংগুলোর কেনার কথা হচ্ছে সেগুলোর পেমেন্ট ধাপে ধাপে অনেকদিন ধরে দেওয়া হবে। বিমানগুলো হাতে পাওয়াও লম্বা সময়ের ব্যাপার। বিমানগুলো কিনতে অল্প সময়ের মধ্যে অনেক টাকা দিতে হবে, ব্যাপারটি মোটেও তেমন নয়। নতুন যে বোয়িং কেনা হচ্ছে তার ইমিডিয়েট ইফেক্ট অর্থনীতির ওপর পড়বে না।তিনি আরও বলেন, প্রয়োজন হলে এয়ারবাসও কেনা হবে, মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এমনটি বলা হয়েছে। যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ বোয়িং অপারেট করে, সে কারণে বোয়িং বেছে নেওয়ার প্রবণতা আছে। একইসঙ্গে এয়ারবাসকে পেছনে ফেলার মতো কিছু নেই। ইউরোপীয় ইউনিয়ন সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চালাচ্ছে। সরকার জানিয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী এয়ারবাস থেকেও এয়ারক্রাফট কেনা হবে। এখানে কাউকে বাদ দেওয়ার কিছু নেই।সূত্র: চ্যানেল ২৪