• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ১২ই আষাঢ় ১৪৩৩ রাত ১০:৫৩:৫৮ (26-Jun-2026)
  • - ৩৩° সে:
পণ্যের মূল্য ২০ শতাংশ বৃদ্ধি করল অ্যাপল ও মাইক্রোসফট

পণ্যের মূল্য ২০ শতাংশ বৃদ্ধি করল অ্যাপল ও মাইক্রোসফট

অনলাইন ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের ফলে বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় জনপ্রিয় কয়েকটি পণ্যের মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল ও মাইক্রোসফট।২৬ জুন শুক্রবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার অ্যাপল তাদের ম্যাক ও আইপ্যাড সিরিজের দাম বাড়িয়েছে। এতে কয়েকটি জনপ্রিয় মডেলের মূল্য ২০ শতাংশ বা তারও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রে বেস মডেলের ম্যাকবুক এয়ারের দাম ১ হাজার ৯৯ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ২৯৯ ডলারে হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৫৯ হাজার টাকার বেশি। একইভাবে ম্যাকবুক প্রোর সবচেয়ে কম কনফিগারেশনের মডেলের দাম ১ হাজার ৬৯৯ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ৯৯৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যার মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকার বেশি।এ ছাড়া আইপ্যাড এয়ারের প্রারম্ভিক মূল্য ৫৯৯ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৭৪৯ ডলার এবং আইপ্যাড প্রোর দাম ৯৯৯ ডলার থেকে ১ হাজার ১৯৯ ডলার করা হয়েছে। অ্যাপলের সাশ্রয়ী মূল্যের ম্যাকবুক নিওর দামও ৫৯৯ ডলার থেকে বেড়ে ৬৯৯ ডলার হয়েছে। সবচেয়ে বেশি মূল্য বেড়েছে ম্যাক স্টুডিও এম৩ আল্ট্রা ডেস্কটপ কম্পিউটারের। এর দাম ৩ হাজার ৯৯৯ ডলার থেকে বেড়ে ৫ হাজার ২৯৯ ডলারে পৌঁছেছে।অ্যাপলের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে বাড়তি চিপের খরচ প্রতিষ্ঠানটি নিজেই বহন করেছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে পণ্যের দাম বৃদ্ধি ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না।প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র বলেন, এআই ডেটা সেন্টারের দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে মেমোরি ও স্টোরেজ চিপের চাহিদা অভাবনীয়ভাবে বেড়েছে। এত দ্রুত এবং এত বেশি হারে যন্ত্রাংশের দাম বৃদ্ধির ঘটনা আগে দেখা যায়নি।দাম বাড়ানোর ঘোষণার পর শেয়ারবাজারে অ্যাপলের শেয়ারের দর ৬ শতাংশের বেশি কমে যায়। গত বছরের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের ঘোষণার পর এটিই প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারের সবচেয়ে বড় একদিনের পতন।অন্যদিকে, মাইক্রোসফটও চিপের মূল্যবৃদ্ধির কারণে এক্সবক্স গেমিং কনসোলের ৫১২ গিগাবাইট ও ১ টেরাবাইট সংস্করণের দাম যথাক্রমে ১০০ ও ১৫০ ডলার বাড়িয়েছে।রেডমন্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, কয়েক মাস ধরে বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থা খুঁজে দাম অপরিবর্তিত রাখার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি। তাদের দাবি, কনসোলে ব্যবহৃত স্টোরেজ ও মেমোরি চিপের দাম আড়াই গুণের বেশি বেড়েছে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে তা আরও দ্বিগুণ হতে পারে।মাইক্রোসফটের মতে, যন্ত্রাংশ-সংকটে পুরো ইলেকট্রনিকস শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হলেও গেমিং কনসোল খাত সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে পড়েছে।সূত্র: বিবিসি