• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ২৬শে ফাল্গুন ১৪৩২ দুপুর ১২:৩৮:৫৭ (10-Mar-2026)
  • - ৩৩° সে:
কায়দা করে আমাদের বিরোধী দল বানানো হয়েছে: শফিকুর রহমান

কায়দা করে আমাদের বিরোধী দল বানানো হয়েছে: শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সংসদে কত আসন নিয়ে বিরোধী দলে আছেন বা কৌশলে তাঁদের বিরোধী দল বানানো হয়েছে—এটি তাঁর দলের কাছে বড় বিষয় নয়। বরং জনগণের অধিকার রক্ষা করাই তাঁদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য।গতকাল সোমবার রাজধানীতে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) আয়োজিত ইফতার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সস্তা কোনো সুযোগ-সুবিধা আমাদের টলাতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।জাগপার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে জাগপার কাছে ভীষণভাবে কৃতজ্ঞ। ১১ দলের মধ্যে যখন আমরা আসন বণ্টন নিয়ে বসেছিলাম, তখন এই একটি দলই বলেছিল—আমরা আসনের জন্য আসিনি, আমরা জনগণের অধিকার কায়েমের জন্য এসেছি। আসন পেলেও আছি, না পেলেও আছি।জামায়াত আমির বলেন, ‘এই বাংলাদেশ আমাদের সবার। সরকারি দলে যাঁরা আছেন, তাঁরাও আমাদের শত্রু নন। তাঁরাও এই মাটির মানুষ। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, রাজনীতি হবে মানুষের জন্য, কোনো দল বা গোষ্ঠীর জন্য নয়।রাজনীতিতে প্রতিহিংসা ও দুর্নীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘রাজনীতি থেকে প্রতিহিংসার বিষ এবং দুর্নীতির ক্যান্সার—এই দুটি যদি দূর করা না যায়, তাহলে গত ৫৫ বছরে দেশের ভাগ্যে যা ঘটেছে, ভবিষ্যতে হয়তো তার চেয়েও খারাপ কিছু ঘটতে পারে। এ দুটির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট ও আপসহীন।’যুবসমাজের প্রসঙ্গ টেনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা যুবসমাজকে কথা দিয়েছি—তোমরা যা চাও, আমাদের চাওয়াও তাই; তোমরা যা অপছন্দ করো, আমরা তাই অপছন্দ করি। সুতরাং আমরা একসঙ্গে লড়াই করব, ইনশাআল্লাহ।’ তিনি বলেন, যুবসমাজ যখন সমাজের সিদ্ধান্ত নেয়, তখন সমাজ পরিবর্তন হতে বাধ্য হয়।সিনেমার উদাহরণ টেনে জামায়াত আমির বলেন, ‘স্বাধীনতার পর একটা সিনেমা দেখেছিলাম—“আবার তোরা মানুষ হ।” এটি একটি সামাজিক শিক্ষামূলক ছবি ছিল। আজ মনে হচ্ছে, সেই ছবির বাস্তবতা যেন চিৎকার দিয়ে বলছে—“আবার তোরা মানুষ হ।”’ বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম, কোনো দলের বিজয় চাই না। আমার নিজের দলের নাম ধরেই বলেছিলাম, এই দলের বিজয় চাই না। আমরা চাই, ১৮ কোটি মানুষের বিজয়। কিন্তু সেই বিজয় অর্জিত হয়নি। ভোটের অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। এখন সবকিছু দিবালোকের মতো পরিষ্কার। বিচার এখন জনতার আদালতে এবং সেই বিচারের রায় জনতার পক্ষেই আসবে, ইনশাআল্লাহ।’