• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ২০শে মাঘ ১৪৩২ রাত ১০:৪৩:৫৬ (02-Feb-2026)
  • - ৩৩° সে:
বিমানের এমডি শফিকুরসহ ৪জন কারাগারে

বিমানের এমডি শফিকুরসহ ৪জন কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ১১ বছরের শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমান, তার স্ত্রী বিথীসহ চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।২ ফেব্রুয়ারি সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ শুনানি শেষে জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।কারাগারে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন শফিকুর রহমানের বাসার অন্য দুই গৃহকর্মী রুপালী খাতুন ও মোছা. সুফিয়া বেগম। এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়।এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই রোমের মিয়া তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন জামিন চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে উপপুলিশ পরিদর্শক তাহমিনা আক্তার জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে রবিবার দিবাগত রাতে উত্তরা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরের শফিকুর রহমানের বাসার নিরাপত্তাকর্মী জাহাঙ্গীর গোলাম মোস্তফাকে জানান ওই বাসায় বাচ্চা দেখাশোনার জন্য ছোট মেয়ে খুঁজতেছেন। পরে তাদের সঙ্গে দেখা করেন মোস্তফা। তারা জানান, যাকে রাখবে বিয়েসহ যাবতীয় খরচ বহন করবেন।তাতে সম্মত হয়ে গত বছরের জুন মাসে মোহনাকে ওই বাসায় কাজে দেন মোস্তফা। সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় মোহনাকে সুস্থ অবস্থায় দেখে আসেন বাবা। তবে এরপর আর মোহনাকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেননি আসামিরা। গত ৩১ জানুয়ারি বিথী মোস্তফাকে ফোন করে জানান, মোহনা অসুস্থ, তাকে নিয়ে যেতে। পরে মোহনাকে আনতে যান গোলাম মোস্তফা।সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোলাম মোস্তফার কাছে মোহনাকে বুঝিয়ে দেন সাথী। তখন মোস্তফা দেখতে পান, মোহনার দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থান গুরুতর জখম। মোহনা ভালোভাবে কথাও বলতে পারে না। সাথীকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে সদুত্তর দিতে পারেন না। পরে তিনি মোহনাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান।পরে জিজ্ঞাসাবাদে মোহনা জানায়, ২ নভেম্বর মোস্তফা তার সঙ্গে দেখা করে যাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অকারণে শফিকুর রহমান এবং বিথীসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা তাকে মারধরসহ খুন্তি আগুনে গরম করে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছেঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করেন। এ ঘটনায় হোটেল কর্মচারী বাবা গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে মামলা করেন।