সেরা ক্রীড়াবিদ পুরস্কার পেলেন এশিয়ান টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক বাতেন বিপ্লব
ডেস্ক রিপোর্ট: কিউট-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসব- ২০২৬ আসরে সেরা পুরুষ ক্রীড়াবিদ হিসেবে শফিকুল কবির ট্রফি জিতে নিলেন এশিয়ান টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক বাতেন বিপ্লব। সেরা নারী ক্রীড়াবিদ হিসাবে এম আনোয়ারুল হক ট্রফি জিতেছেন দি প্রেসেঞ্জা নিউজ এজেন্সির জাহিদা পারভেজ ছন্দা।১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার ডিআরইউ’র সাগর-রুনী মিলনায়তনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) আয়োজনে এবং মৌসুমী ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় কিউট-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসব-২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কিউট-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসবের পুরস্কার বিতরণ করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) জাহেদ পারভেজ চৌধুরী, বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সভাপতি ও জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ জাবের, ডিআরইউর সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, ক্রীড়া সম্পাদক ওমর ফারুক রুবেল এবং সাবেক ক্রীড়ালেখক, সংগঠক ও ব্যাংকার সেলিম নজরুল হক উপস্থিত ছিলেন।যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সকল ক্রীড়া ফেডারেশনকে একটি সিড মানি দেওয়া হবে। যার লভ্যাংশ থেকে যে অর্থ পাবে, তাই দিয়ে খেলা চালাতে পারবে। ঠিক সেরকম একটি সিড মানিও ডিআরইউকে দেওয়ার কথা ভাবছি আমরা। যাতে সাংবাদিকদের খেলা আয়োজন করতে কোনো সমস্যা না হয়।’আবদুল্লাহ জাবের বলেন, ‘খেলাধুলা দেশের যুব সমাজের চালিকা শক্তি। খেলায় মনন বিকশিত হয়, শরীর ভালো থাকে। তাই আমি ডিআরইউর এই আয়োজনকে স্বাগত জানাই।’আবু সালেহ আকন বলেন, ‘আমরা সাংবাদিকরা লেখালেখির পাশাপাশি খেলাতেও যে সেরা সেটাই আমার প্রমাণিত হয়েছে। আমরা যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর কাছে খেলাধুলা করার সহযোগিতা চাই।’ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, ‘ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি শুধু সাংবাদিকদের পেশাগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়েই কাজ করে না, সদস্যদের বিনোদন, মানসিক প্রশান্তি ও সুস্থ জীবনযাপনের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়ে থাকে। সাংবাদিকরা প্রতিদিন অত্যন্ত ব্যস্ততা, চাপ ও নানা ধরনের প্রতিকূলতার মধ্যে দায়িত্ব পালন করেন। তাই কর্মব্যস্ততার বাইরে তাদের মানসিক প্রশান্তি ও শারীরিক সুস্থতার জন্য খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।’এবারের আসরে ১৫টি ইভেন্টে ডিআরইউর প্রায় তিন শতাধিক সাংবাদিক অংশ নেন।