• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ১৫ই ফাল্গুন ১৪৩২ রাত ১১:৫৮:২২ (27-Feb-2026)
  • - ৩৩° সে:
২০২৮ সালের মধ্যে ঢাকার সব খাল উদ্ধার করা হবে: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ

২০২৮ সালের মধ্যে ঢাকার সব খাল উদ্ধার করা হবে: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০২৮ সালের মধ্যে রাজধানী ঢাকার বুক চিরে বয়ে যাওয়া সব কটি খাল উদ্ধার করে পানিপ্রবাহ সচল করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। ২৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর সবুজবাগ এলাকায় জিরানি ও মান্ডা খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকাকে জলাবদ্ধতামুক্ত করতে এই বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, দখলদার যে-ই হোক, তার মূল পরিচয় সে অবৈধ। রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।খালপাড়ে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা দখলদারদের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে হাবিবুর রশিদ বলেন, যারা অবৈধভাবে খালের জায়গা দখল করে আছেন, তারা জানেন যে তারা মালিক নন। আমি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা অচিরেই নিজ উদ্যোগে এসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিন। অন্যথায় সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এই সরকার জনগণের সম্পত্তি রক্ষায় বদ্ধপরিকর। প্রতিমন্ত্রী জানান, জিরানি ও মান্ডা খালকে তাদের আদি রূপে ফিরিয়ে নিয়ে সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ দ্রুত শুরু হবে। তিনি বলেন, খাল খননের পাশাপাশি এর দুই পাড়ে দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে (হাঁটার পথ) তৈরি করা হবে। ঈদের পরেই এসব কাজের অগ্রগতি দৃশ্যমান হবে। পানি সম্পদ এবং ভূমিমন্ত্রীও অচিরেই এসব এলাকা পরিদর্শন করবেন। সড়ক ও নৌপথে শৃঙ্খলা ফেরানো এবং চাঁদাবাজি বন্ধের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে আমরা এরইমধ্যে আলটিমেটাম দিয়েছি। কোনো চাঁদাবাজকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়া হবে না। ১৮ কোটি মানুষের বাংলাদেশ গড়তে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরানো আমাদের অন্যতম অগ্রাধিকার।’সামনে পবিত্র ঈদুল ফিতর উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘মানুষ যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে এবং নিরাপদে সড়ক, নৌ ও রেলপথে বাড়িতে ফিরতে পারে, তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। অতীতের মতো কোনো অবৈধ টোল বা চাঁদার বোঝা যাত্রীসাধারণের ওপর চাপাতে দেয়া হবে না।’পরিদর্শনকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি এলাকার জনমানুষ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের নিয়ে এই খাল উদ্ধার কার্যক্রমে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় মন্ত্রণালয়ের প্রকৌশলী এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।