• ঢাকা
  • |
  • শুক্রবার ১০ই মাঘ ১৪৩২ রাত ০৮:০৪:০০ (23-Jan-2026)
  • - ৩৩° সে:
পিরোজপুরের নেছারবাদে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা

পিরোজপুরের নেছারবাদে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা

স্টাফ রিপোর্টার : খেজুর গাছের রস ছিল ঘরে ঘরে পিঠা-পায়েস, নবান্ন উৎসব ও পারিবারিক আড্ডায় বিশেষ কদর থাকলেও বর্তমানে এটি প্রায় বিলুপ্তির পথে।বাদুড়ের মাধ্যমে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় খেজুরের কাঁচা রস পান তরুণ প্রজন্ম নেছারাবাদে আগ্রহ নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েছেএছাড়াও, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জলবায়ু পরিবর্তন, আধুনিক বসতবাড়ি, সড়ক ও শিল্পায়নে গাছ নিধন, খেজুর গাছ রোপণ না করা খেজুর গাছ আশঙ্কাজনক ভাবে কমে যাওয়া, এসব কারণে গাছের যথাযথ রস উৎপাদন কমার অন্যতম কারণ।খেজুরের রসের চাহিদা থাকলেও সংরক্ষণ, পেশাজীবীদের উৎসাহ ও নিরাপদ সংগ্রহ পদ্ধতি না থাকায় এই ঐতিহ্যবাহী খাদ্য উপাদান আজ হারিয়ে যেতে বসেছে।স্থানীয় প্রবীণরা বলেন, এক সময় শীত মৌসুমে খেজুরের রস ছিল গ্রামের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায় নেছারাবাদে খেজুর রোপন করছে না।স্থনীয় কৃষক তোতা মিয়া বলেন, এখন বাজারে কৃত্রিম মিষ্টান্ন ও বিকল্প খাদ্যের সহজলভ্যতায় প্রাকৃতিক রসের কদরও কমেছে। সোহাগদলের মাস্টার হারুন বলেন, খেজুরের রস শুধু একটি খাদ্য নয়, এটি গ্রামীণ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক। বিনয়কাঠির রবিন চন্দ্র বলেন, খেজুর গাছসংরক্ষণ ও গাছি পেশাকে উৎসাহিত না করা হলে অদূর ভবিষ্যতে খেজুরের রস পুরোপুরি হারিয়ে যেতে পারে।খেচুর গাছি সেকেন্দার আলি বলেন, নতুন বসত-বাড়ি তৈরিতে গাছ নিধন, ইটভাটার জ্বালানিতে ব্যবহারের এবং বাজারে কৃত্রিম মিষ্টান্ন ও বিকল্প খাদ্যের সহজলভ্যতায় প্রাকৃতিক খেজুর রসের কদর কমেছে।নেছারাবাদ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাফুজুর রহমান বলেন, নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কায়, আধুনিক জীবিকার চাপ, খেজুর গাছ কাটার প্রবণতা, রক্ষণাবেক্ষণের অভাব খেজুর গাছ রোপণ না করায় খেজুরের রস কমার কারণ।