জ্বালানি মন্ত্রীর সঙ্গে নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
ডেস্ক রিপোর্ট: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্র্যান্ডসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।১০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সচিবালয়ে সাক্ষাৎকালে নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের উপ-মিশন প্রধান আলেকজান্ডার ফাল্ক-বিলডেন এবং নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য বিষয়ক উপদেষ্টা সায়েদ মুনতাসির বায়েজীদ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে জ্বালানি খাতে, বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, অফশোর অনুসন্ধান ও সবুজ বিনিয়োগে বাংলাদেশ ও নরওয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।জ্বালানি মন্ত্রী বিদ্যুৎ খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, বিদ্যুতের প্রকৃত চাহিদা নিরূপণে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সিস্টেম লস কমাতে পাওয়ার অডিটিং কার্যক্রমে নরওয়ে সরকারের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা কামনা করেন।এ সময় অফশোর বিডিংয়ে নরওয়ের অংশগ্রহণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগসহ বাংলাদেশের পরিচ্ছন্ন জ্বালানি রূপান্তরে নরওয়ের চলমান অংশগ্রহণ এবং দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি রোডম্যাপ অনুযায়ী প্রযুক্তি হস্তান্তর, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।মন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে নরওয়ের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের জন্য দেশটির সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে নরওয়েজিয় বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে নরডিক দেশগুলোর অধিকতর অংশগ্রহণকে বাংলাদেশ স্বাগত জানায়।রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কারিগরি সহযোগিতা, বিশেষ করে অফশোর নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সবুজ প্রযুক্তি খাতে সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে নরওয়ের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। এ বিষয়ে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অন্বেষণে তার সরকারের আগ্রহের কথাও জানান তিনি।সাক্ষাৎকালে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. জিয়াউল হক এবং বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।