• ঢাকা
  • |
  • সোমবার ২৬শে শ্রাবণ ১৪৩৩ সকাল ১০:৫৪:২৪ (10-Aug-2026)
  • - ৩৩° সে:
ট্রাম্পের প্রচার ও হোয়াইট হাউসের পোস্ট থেকে সরল টেইলর সুইফটের গান

ট্রাম্পের প্রচার ও হোয়াইট হাউসের পোস্ট থেকে সরল টেইলর সুইফটের গান

বিনোদন ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচারণা ও হোয়াইট হাউসের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি ভিডিও থেকে জনপ্রিয় পপ তারকা টেইলর সুইফটের গান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের প্রচারণায় ব্যবহৃত সুইফটের কয়েকটি গান পরে পোস্টগুলো থেকে অপসারণ করা হয়।গত এক সপ্তাহে ট্রাম্পের প্রচার শিবিরের টিকটক পাতায় সুইফটের দুটি গান ব্যবহার করা হয়েছিল। এর মধ্যে একটি ভিডিওতে সুইফটের গানের শিরোনামকে রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন করা হয়। ‘রেড’ এবং ‘দ্য লাস্ট টাইম’-এর মতো গানের শিরোনাম ব্যবহার করে ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থান ও নীতির সঙ্গে মিল রেখে বার্তা দেওয়া হয়েছিল।এর আগে জুনেও ট্রাম্পের প্রচার শিবির সুইফটের একটি গান ব্যবহার করে ভিডিও প্রকাশ করেছিল। ভিডিওতে ট্রাম্পকে হোয়াইট হাউসে শিশুদের সঙ্গে কথা বলা, খেলাধুলার অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া এবং নির্বাচনী সমাবেশে দেখা যায়। পরে ওই গানও পোস্ট থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে।এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস কিংবা সুইফটের প্রতিনিধির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে রয়টার্সের প্রতিবেদনে গানগুলোর ব্যবহারকে অননুমোদিত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।সুইফট ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্পের ডেমোক্র্যাট প্রতিদ্বন্দ্বী ও তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে সমর্থন করেছিলেন। এর আগে ২০২০ সালের নির্বাচনের সময়ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পের সমালোচনা করেছিলেন তিনি।অন্যদিকে, ট্রাম্পও বিভিন্ন সময়ে সুইফটকে প্রকাশ্যে সমালোচনা করেছেন। ২০২৪ সালে হ্যারিসকে সমর্থনের পর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুইফটের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন। পরবর্তী সময়েও তিনি গায়িকার জনপ্রিয়তা নিয়ে কটাক্ষ করেন।ট্রাম্প প্রশাসনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে সুইফটের গান ব্যবহারের ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। এর আগে হোয়াইট হাউসের বিভিন্ন ভিডিওতেও তার গান ব্যবহার করা হয়েছিল। এসব পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।ট্রাম্পের প্রচার শিবির এর আগেও বিভিন্ন জনপ্রিয় শিল্পীর গান ব্যবহার করে রাজনৈতিক বার্তা সম্বলিত ভিডিও প্রকাশ করেছে। শিল্পীদের গান রাজনৈতিক প্রচারণায় ব্যবহারের অনুমতি ও স্বত্ব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এর আগেও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।