বন্ধ শ্রীপুর কলেজের ছাত্রাবাস, চরম ভোগান্তিতে ছাত্র-ছাত্রীরা
গাজীপুর (উত্তর) প্রতিনিধি: গাজীপুরের শ্রীপুর সরকারি কলেজের ছাত্রাবাস এক যুগের বেশি সময় যাবৎ বন্ধ থাকায় পরিত্যক্ত ছাত্রাবাসে সন্ধ্যার পর বসে মাদকাসক্তদের আড্ডা। দ্রুত সময়ের মধ্যে ছাত্রাবাসটি সংস্কার করে চালুর দাবি কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের। ছাত্রাবাস চালু হলে দূরদূরান্তের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ভোগান্তি কমবে বলে আশা কর্তৃপক্ষের।১৯৮২ সালের ২৪ নভেম্বর তৎকালীন শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ধীরাজ মালাকার শ্রীপুর সরকারি কলেজের জন্য দুটি আদাপাকা টিনশেডের ছয় কক্ষ বিশিষ্ট ছাত্রাবাস উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পরপরই ছাত্রাবাসগুলোতে থাকতে শুরু করে দূরদূরান্তের ছাত্ররা। এভাবে চলতে থাকে বহুবছর যাবৎ। গত এক বছরের বেশি সময় যাবৎ ছাত্রাবাসটি বন্ধ রয়েছে।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ছাত্রাবাসটির বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থা। ছাত্রাবাসের দরজা জানালা ভেঙে নষ্ট হয়ে গেছে। টিনের চাল ভেঙে পড়ছে। বেশিরভাগ ঘরের দরজা জানালা ভেঙে পড়ে রয়েছে। মরিচা খেয়ে ফেলেছে টিনের চাল। সন্ধ্যার পরপরই মাদকাসক্তরা ছাত্রাবাস ও তার আশপাশের এলাকায় মাদক সেবনসহ নানান অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। জরাজীর্ণ আর অবহেলায় পড়ে রয়েছে সরকারি কলেজের ছাত্রাবাস।স্থানীয়রা জানান, শ্রীপুর কলেজ গাজীপুর জেলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে প্রায় ১০/ ১২ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। এইচএসসি থেকে শুরু করে মাস্টার্স পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় এখানে একটি ছাত্রাবাস নেই। বিভিন্ন জেলার শিক্ষার্থী এখানে পড়াশোনা করে। দূরের শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক ছাত্রাবাস হলে অনেক উপকার হতো। এটি হলে পড়াশোনার মানও ভালো হবে বলে মনে করছেন তারা।কলেজের অধ্যক্ষ মো. লুৎফর রহমান বলেন, ছাত্রাবাসের এখনো কোনো বরাদ্দ হয়নি। আমাদের ডিজি মহোদয় বলেছে এখানে আসবেন, ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে একটা প্রপোজাল রেডি করতে বলা হয়েছে। আমরা আসা করছি দ্রুত সময়ের একটা ব্যবস্থা হবে।