• ঢাকা
  • |
  • শনিবার ১৮ই আশ্বিন ১৪৩৩ সকাল ০৯:৩৭:০৫ (03-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:
চাঁদে যাবে পাকিস্তানের প্রথম নিজস্ব চন্দ্রযান ‘জিন্নাহ-১’

চাঁদে যাবে পাকিস্তানের প্রথম নিজস্ব চন্দ্রযান ‘জিন্নাহ-১’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মহাকাশ গবেষণায় নতুন অধ্যায়ের পথে এগোচ্ছে পাকিস্তান। দেশটির প্রথম নিজস্ব চন্দ্র রোভার ‘জিন্নাহ-১’ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। চীনের চাং’ই-৮ চন্দ্র অভিযানের অংশ হিসেবে রোভারটি চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।ওয়ার্ল্ড স্পেস উইক পাকিস্তান উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পাকিস্তান স্পেস অ্যান্ড আপার অ্যাটমসফিয়ার রিসার্চ কমিশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইউসুফ খান এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, কৃষি, নগর পরিকল্পনা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাকিস্তানের স্যাটেলাইট প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। পাশাপাশি চীনের সহযোগিতায় চন্দ্র অনুসন্ধান ও মানব মহাকাশযাত্রার প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে।সুপারকোর তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৩৫ কেজি ওজনের ‘জিন্নাহ-১’ রোভারটি চাঁদের পৃষ্ঠে বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালাবে। চাঁদের মাটি, ভূপ্রকৃতি ও মহাকাশ পরিবেশ সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ চন্দ্র অভিযানে ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তি পরীক্ষাও চালাবে।আগস্টে সুপারকো আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তানের প্রথম চন্দ্র রোভারের নাম ‘জিন্নাহ-১’ ঘোষণা করে। দেশটির প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর নামে রোভারটির নামকরণ করা হয়েছে।পাকিস্তানের মহাকাশ কর্মসূচিতে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা এরই মধ্যে বেশ বিস্তৃত হয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসে চীনের চাং’ই-৬ অভিযানের অংশ হিসেবে পাকিস্তানের ‘আইকিউব-কামার’ চন্দ্র স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি ছিল পাকিস্তানের প্রথম চন্দ্রকক্ষপথে পাঠানো স্যাটেলাইট।পাকিস্তান একই সঙ্গে পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী স্যাটেলাইটের ব্যবহারও বাড়াচ্ছে। কৃষি, নগর পরিকল্পনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পানিসম্পদ ও পরিবেশ পর্যবেক্ষণে এসব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।চীনের তিয়াংগং মহাকাশ স্টেশনে পাকিস্তানের প্রথম মহাকাশচারী পাঠানোর প্রস্তুতিও চলছে। এ লক্ষ্যে পাকিস্তানের দুই পাইলট জিশান আলী ও খুররম দাউদ বেইজিংয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে ভবিষ্যৎ অভিযানের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে।রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুই প্রার্থী কয়েক মাস ধরে চীনের মহাকাশচারী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। তাঁরা চীনা ভাষা শেখার পাশাপাশি মহাকাশযানের বিভিন্ন ব্যবস্থা, মহাকর্ষজনিত চাপ এবং ওজনশূন্য অবস্থায় কাজের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচন অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে শেষভাগের মধ্যে হওয়ার কথা। নির্বাচিত ব্যক্তি তিয়াংগং মহাকাশ স্টেশনে গবেষণামূলক কাজে অংশ নেবেন।সূত্র: ডন, রয়টার্স