• ঢাকা
  • |
  • বৃহঃস্পতিবার ১৪ই কার্তিক ১৪৩৩ বিকাল ০৩:০৫:৪৯ (29-Oct-2026)
  • - ৩৩° সে:
অনলাইনে পণ্য কিনে প্রতারিত হলে করণীয়

অনলাইনে পণ্য কিনে প্রতারিত হলে করণীয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক: বর্তমানে ব্যস্ত সময়ে পরিবহণ সমস্যা বা রাস্তার জ্যাম এড়াতে অনেকে অনলাইনে খাবার-পোশাকসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র অর্ডার করেন। অনলাইনে অর্ডার করলে যেমন সুবিধা আছে তেমন কিছু অসুবিধাও রয়েছে।এই যেমন- মার্কেটে গেলে একাধিক পণ্য দেখে নিজের পছন্দ অনুসারে সরাসরি কেনে যায়। এতে প্রতারিত হওয়ার সুযোগ খুব কম থাকে। কিন্তু আপনি অনলাইনে একাধিক পণ্য দেখে নির্দিষ্ট একটা অর্ডার করলেও অনেক সময় পছন্দের সেই জিনিসটা হাতে পান না। এমন সমস্যায় হরহামেশাই পড়ছে অনেকে। এমন সমস্যায় পড়লে কী করতে হবে, সেটা জেনে রাখুন-অনলাইনে পণ্য কিনে প্রতারিত হলে দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে ব্যবস্থা নিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ চেয়েও দেওয়ানি আদালতে এবং প্রতারণার অভিযোগে ফৌজদারি আদালতে মামলা করতে পারবেন। এছাড়া ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করা যাবে। সেক্ষেত্রে আপনি যদি অভিযোগ প্রমাণ করতে পারেন তাহলে ওই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হবে। আপনি সেই জরিমানার ২৫ শতাংশ অর্থ অধিদপ্তর থেকে ফেরত পাবেন।দেওয়ানি বা ফৌজদারি আদালতে মামলা: প্রথমেই অনলাইনে প্রতারণার শিকার হলে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সাইট এবং কী ধরনের প্রতারণার শিকার হলেন তা সুনির্দিষ্টভাবে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে। পরবর্তী সময়ে পণ্য কেনা বা হাতে পাওয়ার পর সেটার রশিদ বা ক্যাশ মেমো দিয়ে জেলা জজ আদালতে বা মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে মামলা করতে পারবেন। আদালত আপনার অভিযোগ যাচাই-বাচাই করবে এবং অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ দিবেন। যদি আদালতে আপনার অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয় তাহলে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে আদালত অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ড দিতে পারেন।ভোক্তা অধিকারে অভিযোগ: অনলাইনে পণ্য ক্রয়ের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করতে হবে। অনলাইনে প্রতারিত হওয়ার পর ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করাটা সবচেয়ে কার্যকর পদক্ষেপ। সেক্ষেত্রে আপনি ভোক্তা অধিকারের কার্যালয়ে গিয়ে বা ওয়েবসাইটে দেওয়া মেইলের মাধ্যমে অভিযোগ করতে পারবেন। সেই অভিযোগের পরে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর অনলাইন প্রতিষ্ঠান ও অভিযোগকারীর কাছে পোস্টাল রশিদের মাধ্যমে চিঠি পাঠাবেন।২ পক্ষ থেকে শুনানি শেষে অধিদপ্তর ঘটনার সত্যতার প্রমাণ পেলে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা প্রদানের আদেশ দেবে। এ ক্ষেত্রে জরিমানা হিসেবে যে টাকা আদায় করা হবে তার ২৫ শতাংশ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তাকে দেওয়া হবে।এটিভি/এসটিও