বন্ধ শিল্প-সেবা খাতে ঋণের সুদ সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ
অনলাইন ডেস্ক: বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করতে ২০ হাজার কোটি টাকার প্রাক-অর্থায়ন স্কিমে ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে ঋণ বিতরণের পর ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এ সময়ে গ্রাহকের কাছ থেকে কোনো সুদ আদায় করা যাবে না। ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদসহ ঋণের সুদ আদায় শুরু করতে হবে।১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার জারি করা এক সার্কুলারে এসব নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।এর আগে, গত ৪ জুন ও ৭ জুলাই জারি করা দুটি সার্কুলারের মাধ্যমে ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’ গঠন এবং এর নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়।নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগের সার্কুলার ও সার্কুলার লেটারে ব্যবহৃত ‘বৃহৎ শিল্প’ শব্দের পরিবর্তে এখন থেকে শুধু ‘শিল্প’ শব্দ ব্যবহার করতে হবে। ফলে স্কিমের আওতায় অর্থায়নের ক্ষেত্রে শুধু বৃহৎ শিল্প নয়, অন্যান্য যোগ্য শিল্পপ্রতিষ্ঠানও বিবেচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, এ স্কিমের আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রাক-অর্থায়ন নেওয়ার বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে ৪ শতাংশ সুদ দিতে হবে। তবে অর্থ নেওয়ার পর প্রথম ছয় মাস কোনো সুদ পরিশোধ করতে হবে না।গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর থেকে ব্যাংকগুলোকে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক-অর্থায়নের সুদ পরিশোধ করতে হবে। এ সময় প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের জমে থাকা সুদও পরিশোধ করতে হবে।অন্যদিকে, গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণ করা ঋণের সুদহার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। ঋণ বিতরণের পর ছয় মাস পর্যন্ত গ্রাহকের কাছ থেকে সুদ নেওয়া যাবে না। গ্রেস পিরিয়ড শেষে নিয়মিত সুদের পাশাপাশি প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদ আদায় করতে হবে।সূত্র: জাগো নিউজ