আল-উদেইদ ঘাঁটিতে অভিযানে নিহত ইরানি পাইলটের মরদেহ ফিরছে দেশে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে অভিযানে গিয়ে নিহত ইরানের বিমানবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ কাজেমির মরদেহ দেশে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ২৯ জুলাই বুধবার তার মরদেহ ইরানে পৌঁছানোর কথা জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল।প্রতিবেদনে বলা হয়, মরদেহটি ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করার পর কাতার থেকে ইরানের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। এর জবাবে ইরান বিভিন্ন মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। বেশির ভাগ হামলায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হলেও একটি অভিযানে ইরানের দুটি সুখোই-২৪ যুদ্ধবিমান কাতারের রাজধানী দোহার কাছে অবস্থিত আল-উদেইদ বিমানঘাঁটির দিকে পাঠানো হয়।প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৩৫ বছরের পুরোনো ওই দুটি যুদ্ধবিমান কাতারের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়। এর একটি বিমানের পাইলট ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ কাজেমি।ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, ভূপাতিত হওয়ার আগে ওই দুটি সুখোই-২৪ আল-উদেইদ ঘাঁটিতে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি করতে সক্ষম হয়েছিল। তবে এ দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি।বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় সুরক্ষিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে পুরোনো যুদ্ধবিমান নিয়ে অভিযান চালানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। তবুও ওই অভিযানে অংশ নেন ইরানি পাইলটরা।এর আগে যুদ্ধ চলাকালে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আল-উদেইদ ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। সে সময় নিরাপত্তার কারণে ঘাঁটিতে থাকা কিছু সেনা সদস্য ও সামরিক বিমান অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল