গাজার পরিস্থিতি নিয়ে নিষ্ক্রিয়তার জন্য আমাদের লজ্জা হওয়া উচিত: ম্যাক্রোঁ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর সুযোগ এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত না হওয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেছেন, গাজার পরিস্থিতি নিয়ে নিষ্ক্রিয় থাকার জন্য সবার লজ্জা হওয়া উচিত।২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন ম্যাক্রোঁ।ম্যাক্রোঁ বলেন, কেউ কেউ গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে দাবি করছেন। কিন্তু সেই শান্তির পরও সেখানে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর পথ উন্মুক্ত হয়নি। এ অবস্থায় গাজা পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নিষ্ক্রিয় থাকলে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে বলে মন্তব্য করেন তিনি।ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, গাজার পরিস্থিতি একটি লজ্জাজনক দৃশ্য। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমাদের সবার লজ্জা হওয়া উচিত।’ভাষণে ফিলিস্তিনিদের বৈধ অধিকার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্বের বৈধ অধিকার নিশ্চিত করা ইসরায়েলের নিরাপত্তাসহ সামগ্রিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার অন্যতম শর্ত।পশ্চিম তীরের পরিস্থিতিরও সমালোচনা করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। সেখানে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পশ্চিম তীরে হামাস সক্রিয় ছিল না। তাই ফিলিস্তিনিদের বৈধ অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানো প্রয়োজন।ইসরায়েলের নিরাপত্তার প্রসঙ্গে ম্যাক্রোঁ বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাঁর মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ ইসরায়েলের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্তাকে দুর্বল করে।ম্যাক্রোঁর এ বক্তব্যের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একই অধিবেশনে গাজা নিয়ে তাঁর প্রশাসনের কূটনৈতিক উদ্যোগের সাফল্যের কথা তুলে ধরেছিলেন। এরপরই গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।সূত্র: রয়টার্স, আনাদোলু এজেন্সি