• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ৩০শে পৌষ ১৪৩২ রাত ০২:০৪:৪৫ (14-Jan-2026)
  • - ৩৩° সে:
গ্রিনল্যান্ড রক্ষায় একজোট জার্মানি-ফ্রান্সসহ ইউরোপের ৬ দেশ

গ্রিনল্যান্ড রক্ষায় একজোট জার্মানি-ফ্রান্সসহ ইউরোপের ৬ দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২১ লাখ ৬৬ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতা রক্ষায় একজোট হয়েছে ইউরোপের ক্ষমতাধর ছয় দেশ। দেশগুলো হলো ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, স্পেন ও যুক্তরাজ্য।৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার এসব দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে গ্রিনল্যান্ডের অধিকার রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।বিবৃতিতে নেতারা বলেন, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডের অখণ্ডতা ও সীমানার প্রতি সম্মান বজায় রাখতে হবে। তারা জোর দিয়ে উল্লেখ করেন, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার একমাত্র ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের জনগণের, বাইরের কোনো দেশের নয়।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ইউরোপের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। এ কারণে বহু ইউরোপীয় দেশ সেখানে উপস্থিতি, কার্যক্রম ও বিনিয়োগ বাড়িয়েছে।নেতারা বলেন, আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যাটো সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় এবং জাতিসংঘের সাংবিধানিক নীতিমালা—সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডের অখণ্ডতা ও সীমানার অবিনাশ্যতা, মানা জরুরি। এসব সার্বজনীন নীতি রক্ষায় তারা অটল থাকবেন।বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, এই প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্র একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ন্যাটো সদস্য হিসেবে এবং ১৯৫১ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।এ ছাড়া ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, নর্ডিক দেশগুলো আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার গ্রিনল্যান্ড নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং সামরিক উপায়ের সম্ভাবনার কথাও বলেন। তবে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডরিকসেন এ ধরনের হুমকি বন্ধের আহ্বান জানান।ট্রাম্প দাবি করেন, গ্রিনল্যান্ডে রুশ ও চীনা সামরিক উপস্থিতি বাড়ছে এবং দ্বীপটি রক্ষার সক্ষমতা ডেনমার্কের নেই। এ অবস্থায় আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তায় মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হতে পারে।হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, আর্কটিকে প্রতিদ্বন্দ্বীদের ঠেকাতে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণকে জাতীয় নিরাপত্তার বিষয় হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে সামরিক শক্তিও ব্যবহৃত হতে পারে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি