• ঢাকা
  • |
  • বৃহঃস্পতিবার ১৪ই ফাল্গুন ১৪৩২ বিকাল ০৪:০৪:২৯ (26-Feb-2026)
  • - ৩৩° সে:
বকশীগঞ্জে আশানুরূপ দাম না পেয়ে হতাশ আলু চাষিরা

বকশীগঞ্জে আশানুরূপ দাম না পেয়ে হতাশ আলু চাষিরা

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় আলুর বাম্পার ফলন হলেও বাজারে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় হতাশায় পড়েছেন চাষিরা। উৎপাদন ভালো হলেও দাম কম থাকায় অনেক কৃষকই খরচ তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন।কৃষকদের ভাষ্য, চলতি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত পরিচর্যার কারণে আলুর ফলন আশানুরূপ হয়েছে। তবে বাজারে দাম না থাকায় সেই আনন্দ এখন বিষাদে পরিণত হয়েছে।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ৮৫০ হেক্টরের বেশি জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় হাট-বাজারে প্রতি মণ আলু ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিক মজুরি মিলিয়ে প্রতি মণ আলু উৎপাদনে খরচ প্রায় সমপরিমাণ বা তার চেয়েও বেশি বলে দাবি চাষিদের।বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের কৃষক আজাদ মিয়া বলেন, ‘ধারদেনা ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে আলু চাষ করেছি। ফলন ভালো হলেও বাজারে দাম কম। খরচই উঠছে না, লাভ তো দূরের কথা।’সাধুরপাড়া ইউনিয়নের কৃষক আফজাল শরফি জানান, ‘হিমাগারে রাখার কোনো সুব্যবস্থা নেই। বাধ্য হয়ে কম দামে আলু বিক্রি করতে হচ্ছে।’স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত হিমাগার না থাকায় দীর্ঘদিন আলু সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। মৌসুমের শুরুতেই অতিরিক্ত সরবরাহের কারণে বাজারে দাম পড়ে যাচ্ছে। ফলে অনেক কৃষক মাঠ থেকেই কম দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, এ বছর আলুর আবাদ ও ফলন দুটোই ভালো হয়েছে। তবে বাজার ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং সংরক্ষণ সুবিধা বাড়ানো গেলে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পেতেন।