• ঢাকা
  • |
  • মঙ্গলবার ৩রা ভাদ্র ১৪৩৩ দুপুর ১২:৫৫:০৭ (18-Aug-2026)
  • - ৩৩° সে:
‘আজ কি রাত’ গানের সাফল্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকা তামান্নার’

‘আজ কি রাত’ গানের সাফল্যে সবচেয়ে বড় ভূমিকা তামান্নার’

বিনোদন ডেস্ক: দক্ষিণী সিনেমার নায়িকাদের মধ্যে তামান্না ভাটিয়া পরীক্ষিত একজন নৃত্যশিল্পী। অনেক সিনেমার আইটেম গানে কোমর দুলিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। ২০২৪ সালে ‘স্ত্রী টু’ সিনেমার ‘আজ কি রাত’ গানে নেচে হইচই ফেলে দেন এই ‘মিল্কি বিউটি’। ইউটিউবে গানটির ভিউ ১ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে।‘আজ কি রাত’ গান মুক্তির পর কেটে গেছে দুই বছর। এখনো গানটির আবেদন এতটুকুও কমেনি। এ গানের কোরিওগ্রাফি করেছেন বিজয় গাঙ্গুলি। এ গানের জন্য ‘সেরা কোরিওগ্রাফি’ বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন তিনি। হিন্দুস্তান টাইমস সিটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গানটির সাফল্য নিয়ে কথা বলেছেন বিজয়। বিজয় গাঙ্গুলি বলেন, “আমরা যখন কোনো গানের কোরিওগ্রাফি করি, তখন প্রত্যাশা করি-আমাদের কাজ যেন সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছায়। কিন্তু প্রতিটি গানেরই নিজস্ব ভাগ্য থাকে। কখনো কখনো আপনি দারুণ কাজ করবেন, অথচ গানটিই সিনেমা থেকে বাদ পড়ে যাবে। কিংবা দর্শকদের কাছেই পৌঁছাবে না।”উদাহরণ টেনে বিজয় গাঙ্গুলি বলেন, “ছাবা’ সিনেমায় ভিকিকে (ভিকি কৌশল) নিয়ে খুব সুন্দর একটি গানের শুটিং করেছিলাম। কিন্তু সম্পাদনার সময় সিনেমাটি থেকে বাদ পড়ে গানটি। ‘আজ কি রাত’-এর ক্ষেত্রেও আমরা জানতাম-ভালো কাজ করেছি। গানটি এত মানুষের সঙ্গে এভাবে যুক্ত হয়ে যাবে, তার কোনো ধারণাই ছিল না। আমরা শুধু নিজেদের কাজটা করেছি। পাশাপাশি আশা করেছি, মানুষ গানটি ভালোভাবে গ্রহণ করবে এবং শেষ পর্যন্ত সেটাই হয়েছে।”‘আজ কি রাত’ গানের কথা লিখেছেন অমিতাভ বচ্চন। মিউজিক করেছেন শচীন-জিগার। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন-মধুবন্তী বাগচী, দিব্যা কুমার, শচীন-জিগার। গানটির জনপ্রিয়তার পেছনে এর সংগীত এবং প্রাণবন্ত সেই সংগীতের শক্তিকে দৃশ্যমান করে তোলার ক্ষেত্রে কোরিওগ্রাফি বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন বিজয় গাঙ্গুলি।তিনি বলেন, “গানটির অডিও এতটাই ভালো ছিল যে, শিশু থেকে বয়স্ক-সবাই এর সঙ্গে নিজেকে সংযোগ করতে পেরেছেন। কোনো গান শিশুদের ভালো লেগে গেলে, তা বিশালসংখ্যক মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কারণ তারা গানটি সব জায়গায় বারবার বাজাতে থাকে।”‘আজ কি রাত’ গানের সাফল্যের ক্ষেত্রে তামান্না ভাটিয়া সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন বলে মত বিজয় গাঙ্গুলির। তিনি বলেন, “অবশ্যই, তামান্না বিশাল ভূমিকা পালন করেছেন। কারণ শেষ পর্যন্ত দর্শক পর্দায় যা দেখেন, সেটা হলো অভিনয়শিল্পীর পারফরম্যান্স। তামান্না যেভাবে পারফর্ম করেছেন, যদি সেভাবে না করতে পারতেন, তাহলে গানটি আজ যেখানে পৌঁছেছে, সেখানে পৌঁছাত না। গানটির সাফল্যের জন্য সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব তার।”বিজয়ের বাবা, চলচ্চিত্র নির্মাতা অনিল গাঙ্গুলি দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। এসব তথ্য উল্লেখ করে বিজয় গাঙ্গুলি বলেন, “আমার বাবা দুটি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন। ১৯৭৫ সালে ‘কোরা কাগজ’ সিনেমার জন্য ‘সেরা কাহিনি’ বিভাগের পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৭৬ সালে ‘তপস্যা’ সিনেমার জন্য হিন্দি ভাষার ‘সেরা ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে পুরস্কার পান। এবার আমাদের পরিবারে তৃতীয় জাতীয় পুরস্কারটি এলো, তবে এটি আমার প্রথম। এটি দেশের সবচেয়ে বড় সম্মান।”তামান্না ভাটিয়া অভিনীত সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ওডেলা টু’। গত বছরের ১৭ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় এটি। তেলেগু ভাষার সিনেমাটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। বর্তমানে হিন্দি ভাষার পাঁচটি ও তামিল ভাষার একটি সিনেমার কাজ তামান্নার হাতে রয়েছে। এগুলো হলো—‘ভিভ্যান’, ‘ভি. শান্তারাম’, ‘রেঞ্জার’, ‘মারিয়া আইপিএস’, ‘রাগিনি থ্রি’ ও ‘পুরুষণ’।