• ঢাকা
  • |
  • বুধবার ২৬শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ রাত ০২:১৬:০৩ (10-Jun-2026)
  • - ৩৩° সে:

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল রানা-স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড

৭ জুন ২০২৬ সকাল ১১:৪৪:০৫

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল রানা-স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ ৭ জুন রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় ঘোষণার দিন কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকালে প্রথমে আসামি স্বপ্না খাতুনকে আদালতে আনা হয়। পরে প্রিজনভ্যানে করে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর দুজনকেই ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয় এবং পরে এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর বিচারক রায় ঘোষণা শুরু করেন।

রায়কে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকালে পল্লবীর ওই ঘটনা ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত ১২টা ৫ মিনিটে) ভিকটিমের বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং লাশ গুমে সহায়তা করেছে আসামিরা। পরে তদন্তে নামে পুলিশ।

ঘটনার চার দিনের মাথায়, ২৪ মে তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এতে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।

এর আগে ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। ২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে একই দিন ১৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা সম্পন্ন হয়। ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনে আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।

৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায় ঘোষণার জন্য ৭ জুন দিন ধার্য করেন। মাত্র ১৯ দিনের মধ্যে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে স্বপ্না খাতুন তাকে কৌশলে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর শিশুটিকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

একপর্যায়ে ফ্ল্যাটের দরজার সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তার মা। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে স্থানীয়রা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে শয়নকক্ষে রামিসার মরদেহ এবং একটি বালতির ভেতরে তার মাথা দেখতে পান।

পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

Recent comments

Latest Comments section by users

No comment available

সর্বশেষ সংবাদ











Follow Us